মঙ্গলবার ( ৫ মে) সকালের দিকে উপজেলার পান্তাপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে ।
পা বিচ্ছিন্ন হওয়া ওই বাস চালকের নাম শান্ত মিয়া (২৫)। শান্ত মিয়া গাইবান্ধা সদর উপজেলার কুবতলা গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে ।
দুর্ঘটনায় আহত বাস যাত্রীরা হচ্ছেন, রংপুরের আশরাফুল ইসলাম(৩০), শিবগঞ্জের গগন পাড়া গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে মানিক মিয়া (২৮), কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার মাঝি পাড়া গ্রামের বিষ্ণু রায়ের স্ত্রী সাথী রায়(২২) ও গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাইতান তলা গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে সিজু মিয়া ( ২৮)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা গাইবান্ধাগামী সৈকত পরিবহন নামের একটি যাত্রীবাহী বাস সকালের দিকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার পান্তাপাড়া এলাকায় এসে দাঁড়িয়ে থাকা সিমেন্ট বোঝাই একটি ট্রাকের পিছনে ধাক্কা দেয়। এতে যাত্রীবাহী এই বাসটির সামনের অংশ দুমড়ে- মুচড়ে যায়। এ সময় চালক কেবিনে চাপা পড়ে তার ডান পা বিচ্ছিন্ন হয় । এরসঙ্গে বাসে থাকা চারজন যাত্রী আহত হয়। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে চালককে কেবিন থেকে টেনে হেঁচড়ে বের করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
ওই চালকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন । দুর্ঘটনার পরপরই চালকের বিচ্ছিন্ন হওয়া পা ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা উদ্ধার করেন ।
গোবিন্দগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মাসুদ রানা জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস থেমে থাকা সিমেন্ট বোঝাই ট্রাকের পিছনে ধাক্কা দিলে যাত্রীবাহী বাসটির সামনের অংশ দুমড়ে- মুচড়ে যায়। এতে বাস চালকের ডান পা বিচ্ছিন্ন হয় এবং বাম পা ভেঙ্গে যায় ।
গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাসির উদ্দিন দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দুর্ঘটনার সময় চালক ঘুমিয়ে থাকার কথা আমাদের কাছে স্বীকার করেছেন । চালকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেছেন চিকিৎসাকরা । অন্যান্য আহতরা প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর ছেড়ে দেয়া হয়। তবে দুর্ঘটনায় কবলিত বাসটি জব্দ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।