শুক্রবার (১৫ মে) সকালের দিকে পৌর এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত কাজী আব্দুল গোফফার পৌর শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাজী (বিবাহ রেজিস্টার) বলে জানা গেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৪ মে) আব্দুল গোফফার কাজী ও স্বামী শরিফ আল কামালের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করেন সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের কোমড়পুর গ্রামের সোলাইমান সরকারের মেয়ে ভুক্তভোগী রিক্তা আক্তার শিখা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর ১ এপ্রিল সদর উপজেলার বোয়ালি ইউনিয়নের নশরথপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ খন্দকারের ছেলে শরিফ আর কামালের সাথে ১০ লাখ টাকা মোহরানা ধার্যে মুসলিম শরীয়ত মোতাবেক রিক্তা আক্তার শিখার রেজিস্টারকৃত বিবাহ হয়। বিবাহের কয়েকদিন পর কাবিননামা আনতে গেলে তিনি নানা টালবাহানা করতে থাকেন। গত ৩ মে ওই কাজীকে তার অফিসে না পেয়ে অভিযুক্তদের বাড়িতে যান রিক্তা আক্তার শিখা। এ সময় কাবিননামা দ্বিতীয় অস্বীকার করেন তিনি। পরে ১ লাখ ১০ হাজার টাকার একখানি ভুয়া কাবিননামা তার হাতে ধরিয়ে দেয়।
ভুক্তভোগী এটাকে ভুয়া কাবিননামা হিসেবে দাবি করেন। এ সময় কাজী তাকে বিভিন্ন ভয়ভীতি হুমকি প্রদান করে তাকে তাড়িয়ে দেন। অভিযোগ আরো বলা হয়, আব্দুল গোফফার কাজী মোটা অংকের টাকা ঘুষের খেয়ে কাবিননামায় ১০ লাখের পরিবর্তে ১ লাখ ১০ হাজার টাকা করায় তিনি বিশ্বাস ভঙ্গ করেছে বলে উল্লেখ করা হয়। এ ব্যাপারে ৪ মে সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন ভুক্তভোগী। বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ায় বৃহস্পতিবার শরীফ আল কামাল ও কাজী আব্দুল গোফফারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন পুলিশ।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানায়, কাবিননামায় মোহরানার পরিবর্তন করায় অভিযুক্ত কাজীকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। স্বামী ও কাজী বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করা হয়।