গ্রেফতারকৃত আরিফ মিয়া উপজেলার কামারপাড়া ইউনিয়নের হাটবামুনী এলাকার তারা মেয়ে ছেলে ।
রোববার (৩১ মে) বিকেলের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম হাবিব।
গত বছর ২ জুলাই ওই বাক-প্রতিবন্ধী ধর্ষণের ঘটনা ঘটে এবং চলতি বছর ১৭ ফেব্রুয়ারি সাদুল্যাপুর থানায় এ সংক্রান্ত একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ওই বাক-প্রতিবন্ধী ও আসামীর বাড়ি পাশাপাশি। অভাবের কারণে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ নেন তিনি। প্রায় দুই বছর আগে আসামির বাবার বাড়িতে কাজ নেন বাক-প্রতিবন্ধী ওই গৃহকর্মী। এ সুযোগ নিয়ে আসামি আরিফ মিয়া বিভিন্ন সময়ে ওই প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ করেন। এরপর প্রতিবন্ধীর শারীরিক পরিবর্তন ঘটটলে তার ইশারা-ইঙ্গিতের মাধ্যমে ধর্ষণের বিষয়টি জানতে পারে প্রতিবন্ধীর পরিবার। চলতি বছর ২ জানুয়ারি ডাক্তারি পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়, সে সাত মাসের অন্তঃসত্ত্ব। গতবছর জুলাই থেকে একাধিকবার তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে এজাহার উল্লেখ করা হয়। বিষয়টি নিয়ে পারিবারিকভাবে আপোষ নিষ্পত্তির চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। অবশেষে চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি আরিফ মিয়াকে একমাত্র আসামী করে সাদুল্লাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন বাক -প্রতিবন্ধীর মা নসিমন বেগম।
অপরদিকে, ধর্ষিতা বাক-প্রতিবন্ধী সম্প্রতি একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন এবং দেড় মাসের মাথায় গত ২৯ মে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই শিশুটি মৃত্যুবরণ করেন বলে জানা গেছে।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম হাবিব জানায়, মামলা দায়ের পর থেকে আরিফ মিয়া পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপনে থাকেন। পাশের একটি গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং শনিবার আরিফ মিয়াকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।