আজ শুক্রবার সকাল ১১ টায় সদর থানায় সাংবাদিকদের বিভিন্ন তথ্য প্রদান করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল) মোহাম্মদ আজমির হোসেন।
তিনি জানায় গত ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আইরিন আক্তার কবিতা বাড়ি থেকে বের হলে নিখোঁজ হয়। আত্মীয়-স্বজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে, ২৫ এপ্রিল কোতয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে।
পরে গত ৩০ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর থানা গেরদা ইউনিয়নের বাখুন্ডা এলাকায় একটি কলাবাগান থেকে শিশুটির পচাগলা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এই ঘটনায় মামলা হলে কোতয়ালী থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের যৌথ অভিযানে তদন্ত শুরু হয়। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে ইসরাফিল মৃধা (২৪), শেখ আমিন (১৯) ও নাছিমা বেগম (৪৫) তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানাযায় ইসরাফিল মৃধা চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে একটি পরিত্যক্ত টিনশেড ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে। শিশুটি এই বিষয়টি পরিবারকে জানাবে এই আশঙ্কায় তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে শিশুর লাশ গোপন করার জন্য পাশের একটি বাড়ির বাথরুমের সেফটি ট্যাংকে রেখে দেয়।
এই বিষয়টি নাছিমা বেগম জানতে পেরে তার ছেলে শেখ আমিন ও অপর ছেলে রহমানকে লাশ সরিয়ে ফেলতে বলেন। তারা ট্যাংক থেকে লাশ তুলে একটি প্লাস্টিকের ড্রামে করে বাখুন্ডা কমিউনিটি ক্লিনিকের পূর্ব পাশে রেললাইন সংলগ্ন কলাবাগানে ফেলে রেখে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করে।
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
উক্ত প্রেস ব্রিফিং এ উপস্থিত ছিলেন, কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, আব্দুল্লাহ বিশ্বাস ( ওসি তদন্ত) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মাসুদ রানা সহ ফরিদপুরের বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ