রোববার (১৫ মার্চ) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ত্রাণ ও পুনর্বাসন শাখা এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের ত্রাণ ও পুনর্বাসন শাখা সূত্রে জানা গেছে, আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে দেশব্যাপী খাল খনন কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।
প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, সদর উপজেলায় দুইটি খাল খনন করা হবে। এর মধ্যে দাউদপুল খালের টিচার্স ট্রেনিং কলেজ এলাকা থেকে ছোট ফেনী নদী পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার এবং পাগলিছড়া খালের পাঠানবাড়ি এলাকা থেকে দাউদপুল হয়ে কালিদাস পাহালিয়া নদী পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার খনন করা হবে।
দাগনভূঞা উপজেলায় দুটি খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রাজাপুর ইউনিয়নের জয়নারায়ণপুর থেকে বিরলী খালের ২ কিলোমিটার এবং জায়লস্কর ইউনিয়নের সিলোনিয়া বাজার থেকে নেয়াজপুর খালের ২ কিলোমিটার খনন করা হবে।
ফুলগাজী উপজেলায়ও দুটি খাল খনন করা হবে। এর মধ্যে নোয়াপুর এলাকার গতিয়া খাল থেকে সিলোনিয়া খাল পর্যন্ত ২ কিলোমিটার এবং তারালিয়া খাল থেকে সিলোনিয়া খাল পর্যন্ত আরও ২ কিলোমিটার খননের পরিকল্পনা রয়েছে।
অন্যদিকে, সোনাগাজী উপজেলার দাঙ্গাই খালের ২২ কিলোমিটার খনন করা হবে। তবে প্রথম পর্যায়ের তালিকায় জেলার পরশুরাম ও ছাগলনাইয়া উপজেলার কোনো খাল অন্তর্ভুক্ত হয়নি।