স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মার্কা’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কাফু বলেন, “আমি ব্রাজিল দলের সব খেলোয়াড়কেই ভালো করতে দেখছি, বিশেষ করে এনড্রিককে। ব্যক্তিগতভাবে ওর ওপর আমার অগাধ আস্থা রয়েছে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, আসন্ন বিশ্বকাপে এনড্রিকই হতে যাচ্ছে ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় ব্রেকআউট স্টার বা ট্রাম্প কার্ড।”
রিয়াল মাদ্রিদে পর্যাপ্ত সুযোগ না পেয়ে মৌসুমের মাঝপথে ফরাসি ক্লাব অলিম্পিক লিওঁতে ধারে যোগ দেন এনড্রিক। সেখানে গিয়েই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন এই তরুণ। লিগ ওয়ান, কুপ ডি ফ্রান্স ও ইউরোপা লিগ মিলিয়ে ২১ ম্যাচে ৮ গোল ও ৮ অ্যাসিস্ট করে আলোচনায় চলে আসেন তিনি।
তার এই পারফরম্যান্সই বিশ্বকাপের জন্য কার্লো আনচেলত্তির ২৬ সদস্যের স্কোয়াডে জায়গা করে দিয়েছে। গত মার্চে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে মাত্র ১৪ মিনিট খেলে দুটি অ্যাসিস্টও করেছিলেন এনড্রিক।
ব্রাজিলের এবারের দলে এনড্রিক ছাড়াও আরও ১০ জন খেলোয়াড় রয়েছেন, যাদের বিশ্বকাপের মূল আসরে এটিই হবে প্রথম অভিজ্ঞতা। গ্যাব্রিয়েল মাগালেস, ডগলাস সান্তোস, রজার ইবানেজ, লিও পেরেইরা, ওয়েসলি, দানিলো, ইগর থিয়াগো, ম্যাথিউস কুনহা, লুইজ হেনরিক ও রায়ান রয়েছেন সেই তালিকায়।
সাক্ষাৎকারে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকেও নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন কাফু। তিনি বলেন, “ভিনিসিয়ুস একটা দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়েছে। সবচেয়ে জরুরি হলো ও যেন খেলাটা উপভোগ করে। ও যদি মানসিকভাবে ফুরফুরে ও খুশি থাকে, তবে ব্রাজিল দলকে ও একাই টেনে নিয়ে যেতে পারবে।”
দলের কোচ কার্লো আনচেলত্তির প্রতিও পূর্ণ আস্থা রয়েছে ব্রাজিলের সাবেক এই অধিনায়কের। তার মতে, “কোচ কে বা কোন দেশের, সেটা বড় কথা নয়; ব্রাজিলের জার্সিতে ষষ্ঠ তারকা যুক্ত হওয়াই আসল লক্ষ্য। আনচেলত্তি একজন চরম অভিজ্ঞ কোচ, যিনি ভালো করেই জানেন এই ধরণের বড় টুর্নামেন্টে কীভাবে চাপ সামলে দলকে এগিয়ে নিতে হয়।”
নেইমারের ফেরার সম্ভাবনা এবং এনড্রিক-ভিনিসিয়ুসকে ঘিরে বাড়তে থাকা প্রত্যাশা মিলিয়ে বিশ্বকাপের আগে ব্রাজিল শিবিরে এখন আত্মবিশ্বাসের পারদ বেশ উঁচুতেই।