ম্যাচের শুরুর ১১ মিনিটের মধ্যেই দুই গোল আসে। হাই-প্রেসিংয়ের ভুলগুলোই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। মোহনাদ লাশিনের রক্ষণভাগের এক ভুলের সুযোগ নিয়ে ব্রুনো গিমারায়েস গোল করে প্রথমে ব্রাজিলকে এগিয়ে নেন। তবে মারকুইনহোসের একটি ব্যাক-পাস ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে মোস্তফা জিকো দ্রুতই ম্যাচে সমতা ফেরান।
বিরতির ঠিক পরপরই কার্লো আনচেলত্তির দল আবারও লিড ফিরে পায়। শেষ অর্ধে নতুন করে ১১ জনকে মাঠে নামান ইতালিয়ান কোচ। হাফটাইমে বদলি নামা এন্দ্রিক ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেন। রাফিনহার একটি নিখুঁত পুল-ব্যাক থেকে চমৎকার এক শটে গোল করেন তরুণ সেনসেশন।
আসন্ন টুর্নামেন্টের আগে দুই দলই তাদের বেঞ্চের শক্তি পরীক্ষা করতে বেশ কিছু কৌশলগত পরিবর্তন আনে। ম্যাচের শেষ দিকে মিসরীয়রা চাপ দিয়ে খেললেও রক্ষণভাগ জমাট রেখে দক্ষিণ আমেরিকানরা জয়ের দেখা পায়।
একই সঙ্গে সুযোগও তৈরি করেছিল ব্রাজিল। গোলরক্ষক মোস্তফা শোবেইরের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স মিসরকে ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিল। তিনি ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির আক্রমণসহ ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড লাইনের বেশ কয়েকটি নিশ্চিত প্রচেষ্টা নস্যাৎ করে দেন।
বিশ্বকাপের আগে দুই ম্যাচে দুই জয় ও ৮ গোলে নিজেদের প্রস্তুতি সারল ব্রাজিল। এই জয় তাদের জন্য আত্মবিশ্বাস যোগাবে, অন্যদিকে ২০২৬ বিশ্বকাপের আগে এই প্রীতি ম্যাচ থেকে অনেক ইতিবাচক দিক নিয়েই মাঠ ছেড়েছে মিসর।