রিয়াল মাদ্রিদের জন্য ম্যাচটি শুরু হয়েছিল স্বপ্নে মতো। খেলা শুরুর মাত্র ৩৫ সেকেন্ডের মাথায় বায়ার্ন গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যারের মারাত্মক ভুলে বল পেয়ে যান আরদা গুলার। নিখুঁত শটে রিয়াল মাদ্রিদকে এগিয়ে নেন তিনি। যদিও ষষ্ঠ মিনিটের খেলা গোল করে বায়ার্ন মিউনিখকে সমতায় ফেরান পাভলোভিচ।
কিন্তু ২৯ মিনিটে গুলার আবারও তার জাদুকরী ফ্রি-কিক থেকে গোল করে রিয়ালকে লড়াইয়ে রাখেন। ৩৮তম মিনিটে আবার ম্যাচে সমতায় ফেরে বায়ার্ন। তবে বিরতিতে যাওয়ার আগে কিলিয়ান এমবাপের গোলে এগিয়ে যায় রিয়াল।
দুই লেগ মিলিয়ে ম্যাচ যখন ৪-৪ অ্যাগ্রিগেটে ড্র ছিল, তখনই ঘটে সেই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। ৮৬তম মিনিটে হ্যারি কেনের ওপর একটি ফাউলের পর মেজাজ হারিয়ে বায়ার্নের ফ্রি-কিক নিতে বাধা দেন কামাভিঙ্গা। রেফারি স্লাভকো ভিঞ্চিক দ্বিতীয় হলুদ কার্ড তথা লাল কার্ড দেখিয়ে তাকে মাঠ ছাড়া করেন। ১০ জনের দলে পরিণত হওয়াই কাল হয়ে দাঁড়ায় রিয়ালের জন্য।
কামাভিঙ্গা মাঠ ছাড়ার মাত্র তিন মিনিটের মাথায় লুইস দিয়াজ গোল করে ম্যাচে বায়ার্নকে সমতায় ফেরানোর পাশাপাশি দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৩ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। ইনজুরি টাইমে মাইকেল অলিস আরও একটি গোল করলে রিয়ালের সব আশা শেষ হয়ে যায়। ম্যাচ শেষে রিয়াল কোচ কার্লো আনচেলত্তি রেফারিকে কাঠগড়ায় তুলে বলেন, ‘এই অ্যাকশনের জন্য কাউকে লাল কার্ড দেওয়া অবিশ্বাস্য। এটি আমাদের জন্য চরম অবিচার।’
চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বিদায় নেওয়ায় এবং লা লিগায় বার্সেলোনার চেয়ে ৯ পয়েন্টে পিছিয়ে থাকায়, টানা দ্বিতীয় মৌসুম ট্রফিহীন থাকার শঙ্কায় রয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।