গাবতলী উপজেলার রেলস্টেশন সংলগ্ন রেলওয়ে জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মাওলানা লাইলাতুল কদর। জামাতে প্রায় অর্ধশতাধিক মুসল্লি অংশ নেন।
অন্যদিকে ধুনট উপজেলার হাশুখালী গ্রাম এবং সোনাতলা উপজেলার কালাইহাটা গ্রামেও সকাল সাড়ে ৭টায় পৃথকভাবে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। কালাইহাটা দক্ষিণপাড়া ঈদগাহ মাঠে ইমামতি করেন মো. শামীম হোসেন এবং বালিয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন মাঠে ইমামতি করেন মো. আব্দুল আলীম। এসব জামাতে নারী-শিশুসহ দেড় শতাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণ ছিল।
নামাজ শেষে মুসল্লিরা কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেন। স্থানীয়রা জানান, গাবতলীতে টানা তৃতীয়বারের মতো আগাম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হলো।
এ বিষয়ে মাওলানা লাইলাতুল কদর বলেন, “পৃথিবীর কোথাও চাঁদ দেখা গেলে সে অনুযায়ী রোজা ও ঈদ পালন করা উচিত—এই বিশ্বাস থেকেই আমরা বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করছি।” তিনি একই দিনে সব মুসলমানের ঈদ পালনের আহ্বান জানান।
গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাকিব হোসেন জানান, কিছু মুসল্লি তাঁদের ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী আগাম ঈদ উদযাপন করেছেন এবং পুরো আয়োজন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে ছিল।
সব মিলিয়ে, একই ঈদ ভিন্ন দিনে উদযাপন হলেও আনন্দে কোনো ঘাটতি ছিল না।