বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়ার প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
আইনমন্ত্রী বলেন, বিচারপ্রক্রিয়া সহজ ও দ্রুত করতে ফৌজদারি কার্যবিধি আইন (সংশোধন), ২০২৬-এ বেশ কিছু নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—এসএমএস ও ভয়েস কলের মাধ্যমে সমন জারির ব্যবস্থা, হলফনামার মাধ্যমে আরজি ও লিখিত জবাব দাখিল, এবং সরাসরি জেরা করার বিধান।
এছাড়া ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে পৃথক মামলা না করে মূল মামলায় সরাসরি দরখাস্ত দাখিলের সুযোগ রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
মামলার জট কমাতে সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে ৮৭১টি আদালত এবং ২৩২টি বিচারকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। আরও ৩০৪টি বিচারকের পদ সৃষ্টির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
তিনি আরও জানান, ১৫০ জন সিভিল জজ নিয়োগের কার্যক্রম চলছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে অধস্তন আদালতের স্টেনো-টাইপিস্ট, স্টেনোগ্রাফার, অফিস সহায়ক ও চালকের শূন্যপদে ৭০৮ জন কর্মচারী নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। আরও ৫৫৩টি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।