ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি:
মো. আমির হোসেন (সাবেক এএসআই, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ, সশস্ত্র)
সুজন চন্দ্র রায় (সাবেক কনস্টেবল, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ)
যাবজ্জীবন ও অতিরিক্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি:
আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন (কোতোয়ালি জোনের সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার)
রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন (তাজহাট থানা সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)
বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব (বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ) – এক ধারায় যাবজ্জীবন, আরেক ধারায় ১০ বছরের কারাদণ্ড
১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত:
ড. হাসিবুর রশিদ ওরফে বাচ্চু (বেরোবি সাবেক উপাচার্য), মনিরুজ্জামান ওরফে বেল্টু (সাবেক পুলিশ কমিশনার, আরপিএমপি), মশিউর রহমান (বেরোবি গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক), আসাদুজ্জামান মন্ডল ওরফে আসাদ (লোক প্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক), রাফিউল হাসান রাসেল (সহকারী রেজিস্ট্রার), হাফিজুর রহমান ওরফে তুফান (সহকারী রেজিস্ট্রার), পোমেল বড়ুয়া (নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ, বেরোবি শাখার সভাপতি)
৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত:
আবু মারুফ (সাবেক উপ-পুলিশ কমিশনার, আরপিএমপি)
হাফিজুর রহমান তুফান, মনিরুজ্জামান পলাশ, মাহাফুজুর রহমান শামীম, ফজলে রাব্বী ওরফে গ্লোরিয়াস ফজলে রাব্বী, আখতার হোসেন, সেজান আহ্মেদ ওরফে আরিফ, ধনঞ্জয় কুমার ওরফে টগর, বাবুল হোসেন, মোহাম্মদ নুরুন্নবী মণ্ডল, একেএম আমির হোসেন ওরফে আমু, নূর আলম মিয়া
মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ চলতি বছরের ১৪ জানুয়ারি শেষ হয় এবং যুক্তিতর্ক শেষ হয় ২৭ জানুয়ারি।