তিনি জানান, ধাপে ধাপে দেশের জন্য এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী (হেলথ কেয়ারার) নিয়োগ করা হবে, যার মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশ নারী হবেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘One Health’ বা ‘এক স্বাস্থ্য’ ধারণা অনুযায়ী মানুষের সুস্থতা এবং পরিবেশ ও প্রাণিকূলের স্বাস্থ্য পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। এজন্য চিকিৎসাবিজ্ঞান, কৃষিবিজ্ঞান, প্রাণিবিজ্ঞান ও পরিবেশবিজ্ঞান একত্রিত করে টেকসই প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
তিনি আরও বলেন, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR), অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং মেশিন লার্নিং (ML) ব্যবহার করে দ্রুত ও নির্ভুল রোগ নির্ণয় এবং কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সরকারের লক্ষ্য হলো ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য’ নীতি বাস্তবায়ন, যাতে স্বাস্থ্যসেবা সহজ, সুলভ এবং বৈষম্যহীন হয়। এর জন্য:
প্রতিটি নাগরিকের জন্য ই-হেলথ কার্ড প্রদান,
দীর্ঘমেয়াদি ও জটিল রোগের দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) ব্যবস্থার সম্প্রসারণ,
স্বাস্থ্য খাতে সংস্কার, স্বাস্থ্যবীমা চালু ও ধীরে ধীরে বিস্তার,
চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণা জোরদার করা,
সেবাগ্রহীতা ও সেবা দাতার জন্য ন্যায়সংগত আইন প্রণয়ন।
শুধু তাই নয়, স্বাস্থ্য খাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রী শেষ পর্যন্ত বলেন, “সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করলে আমরা সুস্থ ও সবল জাতি গঠনে সক্ষম হবো। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস-২০২৬ উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।”