বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতে ড. ইউনূসের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন ও ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল।
মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০১২-১৩, ২০১৩-১৪, ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ এবং ২০১৬-১৭ করবর্ষের কর দাবির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৭ সালে গ্রামীণ কল্যাণ পৃথক দুটি রিট আবেদন করে। হাইকোর্ট তখন প্রাথমিক শুনানি নিয়ে রুল জারি করেছিলেন। আজ চূড়ান্ত শুনানি শেষে আদালত রুল দুটি খারিজ (ডিসচার্জ) করে দেন। রিট খারিজ হওয়ায় এনবিআরের ৬৬৬ কোটি টাকার কর দাবিই আইনিভাবে বহাল রইল।
রায়ের পর গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খাজা তানভীর সাংবাদিকদের জানান, “এনবিআরের কর দাবি চ্যালেঞ্জ করে আমরা হাইকোর্টে যে রিট দায়ের করেছিলাম, আদালত আজ তা খারিজ করে দিয়েছেন। ফলে এনবিআরের দাবিকৃত অর্থ বহাল রইল।”
উল্লেখযোগ্য যে, এর আগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গত ৪ অক্টোবর তৎকালীন বিচারপতি মোহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি সরদার মো. রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে পূর্বের একটি রায় প্রত্যাহার করেছিলেন। পরবর্তীতে বিষয়টি পুনর্মূল্যায়নের জন্য প্রধান বিচারপতির মাধ্যমে নতুন এই বেঞ্চে পাঠানো হয় এবং শুনানি শেষে আজকের এই রায় এল।