সোমবার দুপুরে চুয়াডাঙ্গার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইবুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মোক্তাগির আলম আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত আব্দুস সালাম দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা গ্রামের বজলুর রশিদ মজুর ছেলে। আব্দুস সালামের বড়ভাই আল-আমীন বিশ্বাস বেকসুর খালাস পায়।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের মার্চ মাসে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার আরামডাঙ্গা গ্রামের ১০ শ্রেণীর এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে আব্দুস সালামসহ ৫-৭ জন মিলে কার্পাসডাঙ্গা বাজারের মুচিবটতলা থেকে অপহরণ করে। এরপর মাদ্রাসা ছাত্রীর মা শিউলি খাতুন বাদী হয়ে কয়েক জনের নাম উল্লেখ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করে। বিচারক মুসরাত জেরীন দামুড়হুদা থানার অফিসার ইনচার্জকে এজাহার হিসাবে গ্রহণ করার আদেশ দেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দামুড়হহুদা কার্পাসডাঙ্গা ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই হারুন উর রশিদ তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ১ মে আদালতে চাজশিট দাখিল করে।
১৬ জন সাক্ষীর মধ্য ৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সোমবার দুপুরে শিশু সহিংসতা দমনর ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোক্তাগির আলম এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আব্দুস সালামকে অপহরণ মামলায় ১৪ বছর ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে। তার বড়ভাইকে খালাস দেওয়া হয়।