জেলা প্রশাসন ও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাম্পগুলোতে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে। পাশাপাশি ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দিয়ে সরবরাহ পর্যবেক্ষণ ও বিশৃঙ্খলা রোধে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ অনিশ্চিত হওয়ায় দেশজুড়ে তেলের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। ৬ মার্চ থেকে সরকার পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের বিক্রয়ে সীমা নির্ধারণ করলেও ঈদ-উৎসবের আগে ১৪ মার্চ রেশনিং ব্যবস্থা তুলে নেওয়া হয়। তবে ২৩ মার্চ থেকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন পাম্পে আবারও তেলের সংকট দেখা দিয়েছে।
চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৮৩টি পেট্রোলপাম্প, ৭৯৯ জন এজেন্ট ডিস্ট্রিবিউটর ও ২৫৫ জন প্যাকড পয়েন্ট ডিলার রয়েছে। চট্টগ্রাম নগরীতে ৪৬টি ফিলিং স্টেশন, জেলার বিভিন্ন স্থানে শতাধিক পাম্প রয়েছে। মালিকদের বক্তব্য, চাহিদার অর্ধেক তেলও ডিপো থেকে আসে না। ঈদের ছুটিতে পে-অর্ডার সময়মতো না হওয়ায় সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
নগরীর বিভিন্ন এলাকায় যেমন চকবাজার, বহদ্দারহাট, কাতালগঞ্জ, ষোলশহর, লালখান বাজার ও সিআরবি মোড়ে তেলের জন্য দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা গেছে। অনেক পাম্প দিনে নির্দিষ্ট সময়ে সীমিত পরিমাণে তেল বিক্রি করছে, কেউ কেউ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মাহবুবুল হক জানান, বিশৃঙ্খলা এড়াতে ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং তারা ইতোমধ্যে তেল বিক্রির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন।