সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে স্ট্রিটিং বলেন, ‘এটি এখন স্পষ্ট যে, আগামী সাধারণ নির্বাচনে আপনি (স্টারমার) লেবার পার্টির নেতৃত্ব দিতে পারবেন না।’ স্টারমারের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা হারিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন স্ট্রিটিং। তাঁর মতে, ক্ষমতাসীন দলের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে একটি বিস্তারিত আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। সেখানে সম্ভাব্য সেরা প্রার্থীরা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারেন।
লেবার পার্টির নিয়ম অনুযায়ী, নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ জানানোর জন্য দলের ৮১ জন এমপির সমর্থন থাকতে হয়। স্ট্রিটিং সে সমর্থন পেয়েছেন কি না তা নিয়ে কিছু উল্লেখ করেননি।
২০২৪ সালের নির্বাচনে কনজারভেটিভ পার্টিকে হারিয়ে লেবারদের ক্ষমতায় বসিয়েছিলেন স্টারমার। তবে গত সপ্তাহে স্থানীয় ও আঞ্চলিক নির্বাচনে দলের বিপর্যয়কর ফলাফলের পর প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকা নিয়ে চাপের মুখে আছেন।
ইতোমধ্যেই চারজন জুনিয়র মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। ৮০ জনেরও বেশি লেবার এমপি স্টারমারকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে স্টারমার দায়িত্ব ছাড়ার কথা নাকচ করেছেন। তাঁর দাবি, ক্ষমতাসীন দলের শতাধিক এমপি তাঁকে স্বপদে বহাল থাকার জন্য সমর্থন দিয়েছেন।