এই পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে এমন আশঙ্কায় ইতিমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা শুরু করেছে। এশিয়ার পাশাপাশি প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউরোপের দেশগুলোও।
যুক্তরাজ্য
যুক্তরাজ্যে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোর জন্য ৫ কোটি ৩০ লাখ পাউন্ডের সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়া
অস্ট্রেলিয়ায় জ্বালানি ব্যয় কমাতে কিছু অঙ্গরাজ্যে গণপরিবহনের ভাড়া মওকুফ করা হয়েছে।
স্লোভেনিয়া
স্লোভেনিয়া জ্বালানি রেশনিং চালু করে ব্যক্তিগত ও ব্যবসায়িক ব্যবহারে সীমা নির্ধারণ করেছে।
চীন
চীন বিপুল মজুত ব্যবহার ও রপ্তানি সীমিত করে অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করছে।
ফিলিপাইনস
ফিলিপাইনসে জরুরি অবস্থা জারি করে ভর্তুকি, কর্মঘণ্টা কমানোসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ভারত
নয়াদিল্লি জানিয়েছে, সরবরাহে বড় সংকট না থাকলেও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে।
শ্রীলঙ্কা
শ্রীলঙ্কায় জ্বালানি রেশনিং চালু হয়েছে, আর থাইল্যান্ডে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে এসি ব্যবহার কমানো ও বাসা থেকে কাজে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে।
মিয়ানমার
মিয়ানমারে ব্যক্তিগত যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ ও জ্বালানি বিক্রিতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
সব মিলিয়ে, বৈশ্বিক এই জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশগুলো স্বল্পমেয়াদি সাশ্রয়, নিয়ন্ত্রণ ও সহায়তা নীতির সমন্বিত প্রয়োগ করছে।