বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান।
এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জামায়াতের দুই নেতাকে মন্ত্রী করেছিলেন। এর মাধ্যমে তাদের ‘রাজাকারের তকমা’ দূর করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু জামায়াত এখন সেসব কথা ভুলে গেছে। এ সরকার জনগণের সরকার, দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে নির্বাচিত। অথচ ছয় মাস না যেতেই তারা লংমার্চ করে সরকার পতনের হুমকি দিচ্ছে।
আগামী বছরের জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সেজন্য দলের নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নিতে হবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে হবে।
মীর শাহে আলম বলেন, বিএনপি কারো হুমকিকে পরোয়া করে না। যারা গত নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে বেঈমানি করেছে, দলে আর তাদের ঠাঁই হবে না।
দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দলের জন্য যারা দুঃসময়ে কাজ করেছেন, তারা বৈধ সবকিছু পাবেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, গত জুলাইয়ে ভয়াবহ বন্যায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও সাতকানিয়া উপজেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাঁশখালীতে প্রায় ১২ হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ৫১০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ঘর নির্মাণের জন্য ৩০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়।