এ সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য একাডেমিক সহযোগিতা জোরদার করা এবং দু’দেশের শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নতুন সুযোগ খুঁজে বের করা।
সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অংশগ্রহণ করেন।
চীনের পক্ষ থেকে অংশগ্রহণ করেন গুয়াংডং প্রদেশের শিক্ষা বিভাগের প্রধান পরিদর্শক শু শিমিন, বিনিময় ও সহযোগিতা অফিসের উপপরিচালক ঝৌ লিউইউ, চীন–বাংলাদেশ শিক্ষা ও সংস্কৃতি সমিতির সহ-সভাপতি ইঞ্জি. শেখ কোরবান আলী, সহ-সচিব ওয়াং পেং, পরামর্শক ঝেং পেংউ, সাউথ চায়না নরমাল ইউনিভার্সিটির সহ-সভাপতি অধ্যাপক ইয়াং চেংওয়েইসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা।
সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে যৌথ গবেষণা, বৃত্তি, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়, স্বল্পমেয়াদি প্রশিক্ষণ, এবং যৌথ মাস্টার্স ও পিএইচডি প্রোগ্রামের ওপর তিনি জোর দেন। পাশাপাশি, তিনি দু’দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোকে টেকসই একাডেমিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলারও আহ্বান জানান।
শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন বক্তৃতাকালে বাংলাদেশের পরিবর্তনশীল শিক্ষা চাহিদার কথা তুলে ধরেন। তিনি বিশেষভাবে কারিগরি শিক্ষা, গবেষণা সহযোগিতা, বিশ্ববিদ্যালয় অংশীদারত্ব এবং চীনা ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে শীর্ষস্থানীয় চীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বাংলাদেশে চীনা ভাষা কেন্দ্র স্থাপনের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
সম্মেলনে গুয়াংডং প্রদেশের শিক্ষা বিভাগের প্রধান পরিদর্শক শু শিমিন গুয়াংডং প্রদেশের আন্তর্জাতিক শিক্ষার প্রতি অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন এবং আরও বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী গ্রহণের ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪–২০২৫ শিক্ষাবর্ষে গুয়াংডং-এ ২৬১ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করেছেন এবং ২০২৫ সালে ২০ জন শিক্ষার্থী গুয়াংডং সরকারী বৃত্তি লাভ করেছেন।
সম্মেলন শেষে উভয়পক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় সহযোগিতা, একাডেমিক বিনিময় এবং দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা অংশীদারত্ব বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে।