শনিবার (৬ জুন) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের আড়িয়াঘাট ব্রিজের নিচ থেকে তীর্থের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে তীর্থ সাহা তার মা তৃষা সাহা, বোন মেঘা সাহা, চাচি লক্ষ্মী কর্মকার, চাচাতো ভাই বিশাল সাহা ও চাচাতো বোন ভূমি সাহাসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে আড়িয়াঘাট এলাকায় বাঙালি নদীতে গোসল করতে নামেন। এ সময় নদীর প্রবল স্রোতে তীর্থ হঠাৎ ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে সোনাতলা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে রাজশাহী থেকে একটি বিশেষ ডুবুরি দল এসে অভিযানে যোগ দেয়। তবে সন্ধ্যা নেমে আসায় এবং অন্ধকারের কারণে শুক্রবার রাতের জন্য অভিযান স্থগিত করা হয়।
শনিবার ভোরে পুনরায় অভিযান শুরু করলে আড়িয়াঘাট ব্রিজের নিচে তীর্থের মরদেহের সন্ধান পান উদ্ধারকারীরা। মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে নদীর পাড়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বর্ষা মৌসুমে বাঙালি নদীর স্রোত অনেক সময়ই বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। তীর্থের এই মর্মান্তিক মৃত্যু নদীতে গোসল ও সাঁতারের ক্ষেত্রে সতর্কতার প্রয়োজনীয়তাকে আবারও সামনে এনে দিয়েছে।
সোনাতলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মোবারক হোসেন জানান, মরদেহ উদ্ধারের পর পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।