চুয়াডাঙ্গা ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. আওলিয়ার রহমান, জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার শাকিল মো. ছফিউল্লাহ ও র্যাব-১২ এর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করেন।
জানা গেছে, গত ৭ এপ্রিল দুর্লভপুর গ্রামের চালেমী খাতুন (২৭) এবং ১৩ এপ্রিল পারকুলা গ্রামের লাবনী খাতুন (২৮) ফামেতা হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন করান। অপারেশনের পর রোগীর অবস্থার অবনতি হলে চালেমী খাতুনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। যেখানে ১০ এপ্রিল তার মৃত্যু হয়। অপরদিকে, লাবনী খাতুন অপারেশনের পর তাকেও রাজশাহী পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ এপ্রিল মারা যান।
এ ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান চালানো হয়। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জরিমানা করা হয়। রোগির মৃত্যুর কারণ নির্ধারণে তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
চুয়াডাঙ্গার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. আওলিয়ার রহমান বলেন, ফাতেমা ক্লিনিকের বিষয় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একই সঙ্গে রোগীদের চিকিৎসা সেবায় কোনো ধরনের অবহেলা বা অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।