নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, প্রথম সেশন শুরু হবে সকাল সাড়ে ১০টায় এবং দ্বিতীয় সেশন বিকেল সাড়ে ৩টায়।
সোমবার (৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে স্পিকার তার বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে বিল উত্থাপনের অনুমতি দেন। এ সময় বিলের কপি তিন দিন আগে না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিরোধী দলের সদস্যরা।
বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন কার্যপ্রণালী বিধির কথা উল্লেখ করে বলেন, বিধি অনুযায়ী বিলের প্রতিলিপি অন্তত তিন দিন আগে সদস্যদের হাতে পৌঁছানোর কথা। কিন্তু ৪৯ পৃষ্ঠার একটি বিশাল দলিল হঠাৎ করে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে আলোচনা করা কঠিন। এতে সংসদ সদস্যরা অধিকারবঞ্চিত হচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
জবাবে স্পিকার বলেন, বিধিতে তিন দিনের কথা থাকলেও জরুরি প্রয়োজনে সময়সীমা মওকুফ করার বিশেষ ক্ষমতা তার রয়েছে। সেই ক্ষমতা প্রয়োগ করেই বিলটি উত্থাপন করা হয়েছে।
পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিয়ে চিফ হুইপ নরুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে ১৩৩টি অধ্যাদেশ রয়েছে, যা সংবিধানের ৯৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আইনে রূপান্তর না করলে বাতিল হয়ে যাবে। এতে দেশে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। আগামী ৯ এপ্রিলের মধ্যে এসব বিল পাস করতে হবে।
এ লক্ষ্যেই প্রতিদিন দুই সেশনে অধিবেশন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগামী বৃহস্পতিবারের ‘বেসরকারি সদস্য দিবস’ বাতিল করে সেটিকে ‘সরকারি দিবস’ হিসেবে ব্যবহার করা হবে। প্রয়োজনে শুক্রবার বিকেলেও বিল পাস সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত অধিবেশন চালানোর কথা জানিয়েছেন চিফ হুইপ।