তিনি আরও বলেন, “যদি আগের সিস্টেম অক্ষুণ্ণ থাকে, তবে যেকোনো ব্যক্তি পরবর্তী সময়ে হাসিনা হয়ে উঠতে পারে। হাসিনা কোনো একক ব্যক্তি নয়, এটি অনেকগুলো ফ্যাসিবাদী আইডিয়ার সমষ্টি।”
আজ সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত নাগরিক সংলাপে এই মন্তব্য করেন হাসনাত। সংলাপের বিষয় ছিল ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা–সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বাতিল ও গুম প্রতিরোধ/প্রতিকার অধ্যাদেশ স্থগিত: সুশাসন ও মানবাধিকারের অগ্রযাত্রার প্রতি হুমকি’। আয়োজক ছিল ভয়েস ফর রিফর্ম।
হাসনাত আবদুল্লাহ মানবাধিকার কমিশনকে সরকারি নিয়ন্ত্রণের অধীনে রাখার সমালোচনা করে বলেন, “যদি কমিশনের অধ্যাদেশ যথাযথভাবে কার্যকর না হয়, তাহলে ২০০৯ সালের আইন অনুযায়ী তদন্তের দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হাতে চলে যাবে, যা ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।”
এ সংলাপে বক্তব্য দেন আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী মানজুর–আল–মতিন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাসিবউদ্দীন হোসেন এবং আমার বাংলাদেশ পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান।