যুদ্ধের ফলে ইসরায়েলের রাজনীতিতে নতুন টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে এবং ক্ষমতাসীনদের জনপ্রিয়তা কমেছে। দেশটির আইন অনুযায়ী, ৩১ মার্চের মধ্যে পার্লামেন্টে বাজেট পাস করতে হবে; না হলে তিন মাসের মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভোট হলে নেতানিয়াহুর পরাজয়ের শঙ্কা থাকায় তিনি আগাম নির্বাচন এড়াতে বাজেট দ্রুত পাস করাতে মরিয়া।
মার্চের শুরুতে লিকুদ পার্টি দাবি করেছিল, তাদের জনপ্রিয়তা সর্বোচ্চ। ইরানের সঙ্গে সংঘাতের জেরে কিছু জনসমর্থন পেয়েও ভোটের হিসাব বদলায়নি। টাইমস অব ইসরায়েলের জরিপে দেখা গেছে, নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ১২০ আসনের মধ্যে মাত্র ২৮টি আসন পাবে। জোটের মোট আসন দাঁড়াবে ৫১-এ, যা সরকার গঠনের জন্য যথেষ্ট নয়।
দীর্ঘ যুদ্ধ দেশের অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলেছে। প্রতি সপ্তাহে ক্ষতি হচ্ছে প্রায় ১৬ লাখ ডলার, প্রতিরক্ষা ব্যয় বেড়েছে, এবং মিত্রদের সমর্থন ধরে রাখতে অতিরিক্ত বরাদ্দ দিতে হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, সব মিলিয়ে সময় বাড়িয়ে সরকার টিকিয়ে রাখা এখন নেতানিয়াহুর মূল কৌশল।