আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানিয়েছেন, বর্তমানে ঢাকা, টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, রাজশাহী, পাবনা এবং সিরাজগঞ্জ জেলাসহ খুলনা বিভাগের ১০ জেলার উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় তা বিস্তার লাভ করতে পারে। তবে এরমধ্যেই সোমবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। যদিও এই সময়ে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে।
এই আবহাওয়াবিদ আরও জানিয়েছেন, মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি বুধবার (১৫ এপ্রিল) একই সময় পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এর মধ্যে মঙ্গলবার সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। তবে এদিন রাতের তাপমাত্রা প্রায় ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে। এছাড়া বুধবার দিনের তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও অপরিবর্তিত থাকতে পারে রাতের তাপমাত্রা।
এদিকে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি আগামী শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) একই সময় পর্যন্ত রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টি হতে পারে। তবে এই দু’দিনে সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
রোববার সন্ধ্যায় যশোরে দেশের সর্বোচ্চ ৩৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি এই সময়ে রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় সিলেটে দেশের সর্বোচ্চ ১৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। এছাড়া দেশের আর কোথাও বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়নি। এই অবস্থায় বর্ধিত ৫ দিনে আবহাওয়ার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।