রোববার (০৯ আগস্ট) ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোখতার আহমেদ।
বৈঠকে যুক্তরাজ্যে অনিয়মিত অভিবাসন ও আশ্রয়প্রার্থীদের বিষয়টি গুরুত্ব পায়। সারাহ কুক জানান, যুক্তরাজ্য সরকার ও দেশটির জনগণ আশ্রয়প্রার্থীদের বিষয়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাজ্য।
বাংলাদেশ থেকে নিরাপদ, নিয়মিত ও যৌক্তিক ব্যয়ে শ্রম অভিবাসন নিশ্চিত করার বিষয়েও যুক্তরাজ্যের উদ্বেগ তুলে ধরেন সারাহ কুক। পাশাপাশি অভিবাসন ব্যবস্থার উন্নয়নে দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদার এবং ‘গ্লোবাল কমপ্যাক্ট অন মাইগ্রেশন’ বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।
ব্রিটিশ হাইকমিশনার আরও জানান, যুক্তরাজ্যে আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর কোনো বাংলাদেশি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে চাইলে পুনর্বাসনের জন্য তাকে ৩ হাজার পাউন্ড আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী দক্ষ ও মানসম্পন্ন জনশক্তি তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন। একই সঙ্গে নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত এবং অনিয়মিত অভিবাসন ও মানবপাচার প্রতিরোধে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।