সোমবার (১৭ মার্চ) এক সরাসরি টেলিভিশন ভাষণে তিনি সতর্ক করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট যদি দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে বৈশ্বিক জ্বালানি খাতে তৈরি হতে পারে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি। আর এই সম্ভাব্য সবচাইতে খারাপ পরিস্থিতির মোকাবিলায় দক্ষিণ কোরিয়াকে এখনই প্রস্তুত থাকতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে তিনি কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করার পাশাপাশি দেশের জন্য স্থিতিশীল ও বিকল্প জ্বালানি উৎস খুঁজে বের করার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন।
প্রেসিডেন্ট লি জেই ময়াং আরও জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে দক্ষিণ কোরিয়া জ্বালানি রপ্তানির ওপর নির্দিষ্ট কিছু সীমাবদ্ধতা বা নিয়ন্ত্রণ আরোপের বিষয়টিও বিবেচনা করতে পারে, যদিও এ নিয়ে তিনি বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি। বর্তমান সংকট উত্তরণে তিনি দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপরও বিশেষ জোর দিয়েছেন। এর আগে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে জানানো হয়েছিল যে, হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা রক্ষায় মিত্র দেশগুলোর সহায়তা চেয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে আহ্বান জানিয়েছিলেন, তাতে সাড়া দিয়ে সিউল সেখানে তাদের নৌবাহিনী পাঠানোর বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দেয়নি। বর্তমানে ওই কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথটি ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।