শনিবার (২ মে) মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নামে প্রচারিত ওই অনুমতিপত্রটি প্রাথমিক যাচাইয়ে ভুয়া, বিভ্রান্তিকর এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তৈরি বলে প্রতীয়মান হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রচারিত নথির সঙ্গে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কোনো সরকারি অনুমোদন, নথি বা প্রক্রিয়ার মিল পাওয়া যায়নি। এতে ব্যবহৃত তথ্য, নম্বর ও স্বাক্ষরও যাচাইযোগ্য নয়। ফলে এটি কোনো বৈধ সরকারি আমদানি অনুমোদন হিসেবে গণ্য হবে না।
মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এ ধরনের কোনো অনুমতিপত্র ইস্যু করেনি। সাধারণ জনগণ, ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে এমন বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে যাচাই ছাড়া এসব নথি প্রচার বা শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
এ ধরনের ভুয়া তথ্য প্রচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে মন্ত্রণালয়। সঠিক তথ্যের জন্য কেবল প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অফিসিয়াল সূত্র অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।