বর্তমানে এসব পণ্যে প্রচলিত হারে মূল্য সংযোজন কর বিদ্যমান থাকলেও তা কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করেছে সংগঠনটি। তাদের মতে, কর কমানো হলে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ সহজে স্বাস্থ্যসম্মত এই পণ্য ব্যবহার করতে পারবে।
সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এ এ সংক্রান্ত প্রস্তাব জমা দিয়েছে সংগঠনটি। পাশাপাশি ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের জন্যও তারা সুপারিশ পেশ করেছে।
দেশীয় কাগজ শিল্পের সুরক্ষা ও স্থানীয় উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে শুল্ক কাঠামোয় বেশ কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি। প্রস্তাবনায় সংবাদপত্রের কাগজ আমদানিতে শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে। বর্তমানে এ খাতে আমদানিতে ৩ শতাংশ শুল্ক থাকলেও তা বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ এবং মূল্য সংযোজন কর ১৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
সংগঠনটির মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ না নিলে দেশীয় সংবাদপত্রের কাগজ শিল্প হুমকির মুখে পড়তে পারে। এছাড়া বিশেষ ধরনের কাগজ যেমন তেল প্রতিরোধক কাগজ, মসৃণ পাতলা কাগজ, তাপসংবেদনশীল কাগজ, মেলামাইন কাগজ ও বিশেষ প্রক্রিয়াজাত কাগজের ওপর শুল্ক বৃদ্ধির প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে উৎপাদন খরচ কমাতে কাগজ তৈরির কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতিতে শুল্ক কমানোর সুপারিশ করেছে সংগঠনটি। বিক্রয় কপি ও শিল্পকর্মের কাগজ তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ—মাইক্রো ক্যাপসুল, রঙ উন্নয়নকারী উপাদান ও কাওলিন মাটির ক্ষেত্রে শুল্ক কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এছাড়া উৎপাদন সরঞ্জাম যেমন কৃত্রিম গঠন কাপড়, শুকানোর পর্দা ও ডক্টর ব্লেড আমদানিতে অগ্রিম কর প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। পরিবর্তিত স্টার্চ ও বায়ু স্প্রিং পণ্যের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক শুল্ক প্রত্যাহার এবং শুল্ক ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাবও দিয়েছে সংগঠনটি।