বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়াম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্টেডিয়ামের বাইরের পরিবেশ বর্তমানে জরাজীর্ণ ও নিরাপত্তাহীন। সন্ধ্যার পর এলাকায় মাদকসেবী ও ছিনতাইকারীদের তৎপরতা বাড়ার অভিযোগ রয়েছে। এসব অপরাধ নিয়ন্ত্রণে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার পাশাপাশি স্টেডিয়ামের বিভিন্ন প্রবেশপথে পুলিশ বক্স স্থাপন এবং নিয়মিত পুলিশি টহলের ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি জানান, সিটি করপোরেশনের সহযোগিতায় দ্রুত ময়লা অপসারণ, রাস্তা সংস্কার এবং জরাজীর্ণ অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হবে। এছাড়া স্টেডিয়াম এলাকার দোকানগুলোর লিজ, ভাড়া ও চুক্তিপত্র পুনর্মূল্যায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোথাও সরকারি রাজস্বের ক্ষতি হয়ে থাকলে তা সংশোধন করে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) প্রাপ্য রাজস্ব নিশ্চিত করা হবে।
ক্রীড়াবিদদের বকেয়া ভাতা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইবাস (iBAS) পদ্ধতিগত জটিলতার কারণে আটকে থাকা ২৮ জন ক্রীড়াবিদের মধ্যে ২৬ জনের ভাতা-সংক্রান্ত সমস্যা ইতোমধ্যে সমাধান হয়েছে। বাকি দুই ক্রীড়াবিদের সমস্যাও দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে এবং কারও ভাতার অর্থ নষ্ট হবে না।
সরকারের লক্ষ্য জাতীয় স্টেডিয়াম এলাকাকে নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক ক্রীড়া কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা বলে জানান তিনি।