অংকনের বাবা অমলেশ শর্মা, পেশায় একজন সংগীত শিক্ষক। মধ্যবিত্ত পরিবারের সীমিত আয়ের মধ্যেও সন্তানের লেখাপড়ার জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট করে অর্থ সঞ্চয় করেছেন। নিজের সামর্থ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে ছেলের পড়াশোনার পেছনে ব্যয় করেছেন। বাবার সেই ত্যাগ ও অংকনের কঠোর পরিশ্রমের ফলেই আজকের এই সাফল্য।
অংকনের বিশেষ দিক হলো—এখন পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তার কোনো অ্যাকাউন্ট নেই। লেখাপড়াকেই সে জীবনের প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নিয়েছে। পড়াশোনার বাইরে অন্য কোনো বিষয়ে তার তেমন আগ্রহ ছিল না।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সত্যেন্দ্র কুমার পাল অংকনের সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তার এই ফলাফল বিদ্যালয়ের জন্যও গর্বের বিষয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
অংকনের ভবিষ্যৎ স্বপ্ন ডাক্তার হওয়া। চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করতে চায় সে। তার এই সাফল্য শুধু একটি ভালো ফলাফল নয়—এটি একজন বাবার ত্যাগ, পরিবারের সহযোগিতা এবং একজন শিক্ষার্থীর অধ্যবসায়ের অনুপ্রেরণাদায়ক গল্প।