সোমবার (১৬ মার্চ) বিকেলে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান এই লঞ্চঘাটটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
বছিলা ঘাটের বিশেষত্ব ও সময়সূচি:
কার্যকাল: ১৭ মার্চ থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত প্রতিদিন এই ঘাট থেকে লঞ্চ চলাচল করবে।
লঞ্চের সংখ্যা: প্রতিদিন মোট ছয়টি লঞ্চ বিভিন্ন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে বছিলা ছেড়ে যাবে। তবে যাত্রীচাপ বাড়লে লঞ্চের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে বিআইডব্লিউটিএ-এর।
সুবিধাভোগী এলাকা: মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, সাভার ও গাবতলী অঞ্চলের যাত্রীরা সদরঘাটের যানজট এড়িয়ে সহজেই এখান থেকে নৌপথে যাতায়াত করতে পারবেন।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য:
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান বলেন, "ঈদে যাত্রীরা যেন স্বাচ্ছন্দ্যে ও যানজটমুক্ত পরিবেশে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন, সেজন্যই এই বিকল্প ব্যবস্থা। রাজধানীর পশ্চিমাংশের মানুষের জন্য এটি একটি বড় স্বস্তির খবর।"
বিআইডব্লিউটিএ-এর চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ মোস্তফা নিরাপত্তার বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, কোনো লঞ্চেই নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত যাত্রী বহন করতে দেওয়া হবে না। যাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য ঘাটে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
যাত্রীদের প্রতিক্রিয়া:
উদ্বোধনের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় ও নিয়মিত নৌযাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা দেয়। বিশেষ করে যারা গাবতলী বা ধানমন্ডি এলাকা থেকে সদরঘাট যেতে বিড়ম্বনায় পড়তেন, তারা বছিলা ঘাট চালু হওয়াকে মাইলফলক হিসেবে দেখছেন।