প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার তিনটি মূল কারণ রয়েছে—নতুন তেলের জাহাজ আগমণ, ঈদ উদযাপন এবং বোরো মৌসুমে কৃষকদের প্রয়োজন। ইতোমধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরে কয়েকটি আমদানিকৃত তেল ভর্তি জাহাজ পৌঁছেছে।
তিনি আরও জানান, “জনগণের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে এবং বোরো মৌসুমে কৃষকদের সেচের প্রয়োজন মেটাতে জ্বালানি তেল বিতরণে রেশনিংসহ সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সকল ফিলিং স্টেশন থেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ অব্যাহত থাকবে।”
তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “দামের বিষয়ে উদ্বেগ স্বাভাবিক। তবে আমরা যতটা সম্ভব জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখার চেষ্টা করব। অর্থনীতি সইতে পারার সীমা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর পরিকল্পনা নেই।”
এর আগে শনিবারই সরকার জানিয়েছিল, বোরো মৌসুমে কৃষকদের সেচ সুবিধা এবং ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করার জন্য জ্বালানি রেশনিং ব্যবস্থা প্রত্যাহার করা হবে। জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, রোববার থেকে দেশের ফিলিং স্টেশনগুলোতে আগের মতো স্বাভাবিকভাবে জ্বালানি সরবরাহ ও বিক্রি চলবে।