মামলার বিরণে জানা যায়, ১০১৮ সালের ১৮ই জুন শিশুটি পাশবর্তী চাচার বাড়িতে ঘুমানোর জন্য রাত ১০ টার সময় বাড়ি থেকে রওনা দেয়। পথিমধ্যে শিশুটিকে একা পেয়ে দাউদ আলী নানা প্রলোভন দেখিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। একপর্যাযে শিশুটিকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। শিশুটি চাচার বাড়িতে পৌঁছিয়েছে কিনা পরিবার থেকে রাতেই খবর নেওয়া হয়। কিন্তু তারপর থেকেই তার আর কোন সন্ধ্যান মেলেনা।
রাতভর বিভিন্ন জায়গায় খুঁজে না পেয়ে ভোর থেকে আবারও শিশুটির সন্ধ্যানে চেষ্টা করতে থাকে পরিবার। অনেক খোঁজাখুজির পর পরদিন সকাল ৭ টার দিকে অসূস্থ্য অবস্থায় শিশুটি দাউদের বাড়িতে সন্ধান মেলো । তার শারীরিক অবস্থা খারাপ দেখে স্বজনরা জিজ্ঞাসাবাদ করে। একপর্যায়ে শিশুটি বলে তাকে দাউদ আলী বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছে।
পরে শিশুটির বাবা বাদি হয়ে ২০১৮ সালের ১৯ জুন মেহেরপুর সদর থানায় ধর্ষনের মামলা দায়ের করেন। ঐ বছরের ১৩ আগস্ট দাউদকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশীট প্রদান করে পুলিশ। চার্জশীট প্রদান করেন পুলিশের উপ-পরিদর্শক রবিউল ইসলাম খান। ১১ জনের সাক্ষ্য শেষে আজ রবিবার দুপুরে যাবজ্জীবন কারাবরণের রায় প্রদান করেন আদালত। পাশাপাশি আরো এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডাদেশ, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেয় আদালতের বিচারক । আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. পল্লভ ভট্টাচার্য, অ্যাড. কামরুল হাসান ও অ্যাড. গোলাম মোস্তফা।