বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কলেজ গেটের সামনে আয়োজিত এই মানববন্ধনে প্রায় ৫০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা গভর্নিং কমিটির স্বেচ্ছাচারিতা, শিক্ষকদের মধ্যে গ্রুপিং, রাজনৈতিক প্রভাব এবং অবৈধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্যই তারা এই কর্মসূচি পালন করে বলে জানায়।
কলেজের শিক্ষক আজিজুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তার পছন্দের শিক্ষকদের দায়িত্ব বণ্টন করেন এবং অন্যদের অবহেলা করেন। তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে আবাসন সমস্যায় ভুগছেন তিনি। সিনিয়র হওয়া সত্ত্বেও খালি কোয়ার্টার তাকে দেওয়া হয়নি।
গভর্নিং কমিটির সদস্য সাহাদাত হোসেন বলেন, কমিটির সভাপতি কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে টেলিফোনে সিদ্ধান্ত নিয়ে রেজুলেশন তৈরি করেন এবং পরে অন্য সদস্যদের স্বাক্ষর দিতে বলেন, যা নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাব্বত সাইফুল্লাহ বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। তিনি জানান, প্রায় দেড় বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগ হলে তিনি দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন। শিক্ষকদের আবাসন সংক্রান্ত বিষয়টি গভর্নিং কমিটির দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এছাড়া, শিক্ষার্থীদের পূর্বের পাওনা অর্থ কলেজ ফান্ডে সংরক্ষিত আছে বলে দাবি করেন।
অন্যদিকে, কমিটির সদস্য আজিজুল হক খান জানান, কমিটির সভাপতি ড. আবু সাঈদ ঢাকায় অবস্থান করলেও নিয়মিত মিটিং অনুষ্ঠিত হয়—কখনও সরাসরি, কখনও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। তিনি বলেন, কমিটির কার্যক্রমে তেমন কোনো সমস্যা নেই।
এ ঘটনায় এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে এবং দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শিক্ষার্থীরা।