সোমবার (১৬ মার্চ) মস্কোয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রেসিডেন্সির মুখপাত্র জানান, এ ধরনের প্রতিবেদনের ওপর তারা মন্তব্য করতে চান না।
একই সময়ে তেহরান থেকেও খামেনির শারীরিক অবস্থা বা অবস্থান সম্পর্কে নতুন কোনো তথ্য জানানো হয়নি। শুধু একটি খবরে বলা হয়েছে, তিনি রেভল্যুশনারি গার্ডের জ্যেষ্ঠ জেনারেল মোহসেন রেজাইকে সামরিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন।
কুয়েতভিত্তিক একটি পত্রিকার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, গত ১২ মার্চ তাকে একটি রুশ বিমানে করে মস্কোয় নেওয়া হয়েছে। তেহরানে হামলায় আহত হওয়ার পর যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দেশে চিকিৎসা সম্ভব হচ্ছিল না বলেও উল্লেখ করা হয়।
এদিকে ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধ আরও তীব্র হয়েছে। উপসাগরীয় বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামোতে হামলা অব্যাহত রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর ও দুবাই বিমানবন্দরসহ কাতার, বাহরাইন ও সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার খবর পাওয়া গেছে।
হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনাও বেড়েছে। ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড হুঁশিয়ারি দিয়েছে, তারা সংঘাত লোহিত সাগর ও বাব আল-মান্দেব প্রণালিতেও ছড়িয়ে দিতে পারে।
তারা যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবাহী রণতরীর উপস্থিতিকে সরাসরি হুমকি হিসেবে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট সহায়তাকারী স্থাপনাগুলোকে সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ঘোষণা করেছে।
অন্যদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, ইরান যুদ্ধবিরতিতে আগ্রহী নয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় বসার পরিকল্পনাও নেই। তিনি বলেন, যুদ্ধ চলবে এবং এটি সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেওয়া হবে।
এ পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের সদস্য দেশগুলো ও যুক্তরাজ্য এক যৌথ বিবৃতিতে ইরানকে অবিলম্বে হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে সংলাপ ও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।