সাবেক সরকারি উপদেষ্টা নিক বাটলার সতর্ক করে বলেছেন, সংকটের সবচেয়ে খারাপ সময় এখনো আসেনি। তার মতে, ডিজেলের দাম মে মাস নাগাদ লিটারপ্রতি ২ পাউন্ডেরও অনেক ওপরে উঠে যেতে পারে।
ইরানে চলমান সংঘাত এবং গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ ‘হরমুজ প্রণালী’তে অবরোধের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম ইতোমধ্যে ৬০ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
এই পরিস্থিতিতে জ্বালানি ব্যবহার কমাতে ঘরে বসে কাজের ওপর জোর দেওয়াকে “যৌক্তিক” বলে মনে করছেন বাটলার। তিনি বলেন, এশিয়ার কিছু দেশে ইতোমধ্যে সপ্তাহে অতিরিক্ত একদিন বাসা থেকে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তার ভাষায়, মানুষকে যদি এমন উদ্যোগ নিতে বলা হয়, তারা সাধারণত সাড়া দেয়, বিশেষ করে যখন অন্যরাও একই কাজ করছে।
এই প্রেক্ষাপটে স্টারমার সরকারের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ, একদিকে জ্বালানি সংকট, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ইস্যুতে আবারও ব্রিটিশ নেতৃত্বের সমালোচনা করেছেন। যদিও তিনি দাবি করেছেন, ইরান সংঘাত “শেষের পথে”।
তবে যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভস ভিন্ন সুরে কথা বলেছেন। তিনি এই যুদ্ধকে “ভুল সিদ্ধান্ত” বলে আখ্যা দিয়েছেন এবং এর অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
তার মতে, পরিষ্কার কোনো পরিকল্পনা ছাড়া এমন সংঘাতে জড়ানো শুধু যুক্তরাজ্য নয়, বিশ্বজুড়েই পরিবার ও ব্যবসার ওপর চাপ বাড়াচ্ছে।
এদিকে একটি গবেষণা সংস্থা সতর্ক করেছে, এই সংঘাতের কারণে চলতি বছরে গড়ে প্রতিটি ব্রিটিশ পরিবার প্রায় ৪৮০ পাউন্ড পর্যন্ত ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
সব মিলিয়ে, জ্বালানি সংকটের এই চাপ মোকাবিলায় সরকার কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকেই এখন নজর সবার। আর ঘরে বসে কাজের নির্দেশ কি সেই সমাধানের অংশ হবে, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন।