তিনি বলেন, বিপুল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে যথাযথ শিক্ষা, কারিগরি ও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে যুক্ত করা গেলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের শপথকক্ষে জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও ইউএনএফপিএ বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘পার্লামেন্টস রোল ইন রিয়্যালাইজিং পপুলেশন ডিভিডেন্ডস, এসডিজিস অ্যান্ড আইসিপিডিস কমিটমেন্টস’ শীর্ষক কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চিফ হুইপ বলেন, একটি দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ থাকলেই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত হয় না। দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো দক্ষ ও শিক্ষিত জনগোষ্ঠী। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের কর্মক্ষম মানুষকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।
তিনি বলেন, আগামী প্রায় এক দশক বাংলাদেশের জন্য জনমিতিক লভ্যাংশ কাজে লাগানোর গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর সক্ষমতাকে অর্থনৈতিক শক্তিতে রূপান্তর করতে শিক্ষা, দক্ষতা ও উৎপাদনশীলতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।
জনমিতিক লভ্যাংশ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে বাল্যবিবাহ, জলবায়ু পরিবর্তন, শিক্ষা, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানসহ নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে উল্লেখ করে নূরুল ইসলাম মনি এসব সমস্যা সমাধানে সংসদ সদস্যদের সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
বিদেশে কর্মসংস্থানের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুধু মানুষ বিদেশে পাঠালেই হবে না, তাদের দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। দক্ষ কর্মীরা আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে দেশের সুনাম বাড়ানোর পাশাপাশি দেশে বৈদেশিক মুদ্রা পাঠিয়ে অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবেন।
মানবসম্পদ উন্নয়নে উন্নয়ন সহযোগীদের আরও কার্যকর সহায়তার আহ্বান জানিয়ে চিফ হুইপ বলেন, শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রসার ঘটাতে পারলে দেশে কর্মসংস্থান ও উৎপাদনশীলতা বাড়বে। একই সঙ্গে রেমিট্যান্স প্রবাহও আরও শক্তিশালী হবে।