সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ বলেন, “আমরা শুধু আলোচনার পথ বন্ধ করবো না, প্রয়োজনে সরাসরি শত্রুর মুখোমুখিও হবো।”
তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমালোচনা করে দাবি করেন, “তারা যুদ্ধবিরতি মেনে চলার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয় এবং সংলাপেও বিশ্বাস করে না। লেবানন-সংক্রান্ত চুক্তি লঙ্ঘন ও নৌ অবরোধের মাধ্যমে তারা দেখিয়েছে, তারা কেবল শক্তির ভাষাই বোঝে।”
গালিবাফ আরও অভিযোগ করেন, ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত নৌ অবরোধ এবং ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন আঞ্চলিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলছে।
তার ভাষায়, “ইরানি জাতির বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ এবং আজ ইসরায়েলি শাসনের প্রতি আমেরিকার সবুজ সংকেত—এ দুটিই এই অঞ্চলে মার্কিন ও ইসরায়েলি ঘাঁটি এবং সম্পদকে বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে।”
গালিবাফের এ মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি হামলা, হিজবুল্লাহকে ঘিরে উত্তেজনা এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক আলোচনা—সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ক্রমেই আরও অস্থির হয়ে উঠছে। তাঁর বক্তব্যে ইঙ্গিত মিলেছে যে, ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপ অব্যাহত থাকলে ইরান তার অবস্থান আরও কঠোর করতে পারে।