সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রথমবারের মতো ইরানের ডেসালিনেশন (লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ) প্ল্যান্টকে সম্ভাব্য লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এর ফলে কোটি মানুষের পানির উৎস ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘নতুন ও আরও যুক্তিসংগত সরকারের সঙ্গে’ আলোচনায় রয়েছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি খুব শিগগির কোনও চুক্তি না হয় এবং হরমুজ প্রণালি দ্রুত ‘ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত’ না করা হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলক্ষেত্র, খার্গ দ্বীপ এবং সম্ভবত সমস্ত পানি পরিশোধন কেন্দ্র ধ্বংস করতে পারে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, বেসামরিক স্থাপনাকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ইউসরা সুয়েদি বলেছেন, ট্রাম্পের হুমকি ‘সমষ্টিগত শাস্তির সংস্কৃতিকে উৎসাহিত করছে’ এবং এটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের পরিপন্থী।
হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লিভিট জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন ও সশস্ত্র বাহিনী সবসময় আইনের সীমার মধ্যে কাজ করবে। তবুও, ট্রাম্পের মন্তব্য আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন ও মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।