নাদালি উল্লেখ করেছেন, অনেক কিশোর স্বেচ্ছায় এ কার্যক্রমে অংশ নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে, তাই ন্যূনতম বয়স ১২ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে ১২–১৩ বছর বয়সি কিশোররাও যুক্ত হতে পারবে।
এই ঘোষণা আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করা সংস্থাগুলি এটিকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং শিশুদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে ব্যবহার হিসেবে বিবেচনা করছে। মানবাধিকার সংস্থা 'সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস ইন ইরান', অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বিভিন্ন সময়ে ইরানে শিশুদের আটক, নির্যাতন ও যুদ্ধসংক্রান্ত কার্যক্রমে ব্যবহারের প্রমাণ দিয়েছে।
জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ অনুযায়ী শিশুদের সামরিক কাজে ব্যবহার নিষিদ্ধ। কিন্তু তেহরানের এই পদক্ষেপ সেই আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করছে। স্থানীয় অধিকারকর্মীরা সতর্ক করেছেন, ইরানে বর্তমানে ৩০ লাখের বেশি শিশু শ্রমিক রয়েছেন, এবং এই নতুন নির্দেশ শিশুদের জীবনকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করবে।