বৃহস্পতিবার মার্কিন সিনেটের এক শুনানিতে ভারপ্রাপ্ত নৌবাহিনী সচিব হাং কাও জানান, যুক্তরাষ্ট্র আপাতত বিদেশে অস্ত্র সরবরাহে বিরতি দিচ্ছে, যাতে ইরান যুদ্ধের জন্য পর্যাপ্ত মজুত নিশ্চিত করা যায়।
তার ভাষায়, এই মুহূর্তে আমরা কিছুটা বিরতি নিচ্ছি, যাতে অপারেশন এপিক ফিউরির জন্য প্রয়োজনীয় গোলাবারুদ আমাদের হাতে থাকে।
প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রথম দিকেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের এটিএসিএমএস, পিআরএসএম এবং থাড ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় অর্ধেক ব্যবহার করে ফেলেছে। এর জেরে ইউরোপীয় মিত্রদের কাছেও অস্ত্র সরবরাহ বিলম্বিত হচ্ছে।
এর মধ্যেই তাইওয়ানের জন্য প্রস্তাবিত ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্রচুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এতে লকহিড মার্টিনের পিএসি-৩ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমসহ বিভিন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাকার কথা রয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি খুব শিগগিরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। তবে সম্প্রতি চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর ট্রাম্পের অবস্থান কিছুটা নরম হয়েছে বলেও ইঙ্গিত মিলছে।
ট্রাম্প এমনও বলেছেন, তাইওয়ানের জন্য নির্ধারিত সামরিক প্যাকেজটি চীনের সঙ্গে আলোচনায় একটি ভালো দরকষাকষির হাতিয়ার।
এদিকে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের সঙ্গে সরাসরি এ নিয়ে কথা বলার ইঙ্গিত দিয়েছেন ট্রাম্প, যা দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক রীতির বাইরে বলে মনে করা হচ্ছে। বেইজিং ইতোমধ্যেই এ ধরনের পদক্ষেপে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে।
চীন বরাবরই তাইওয়ানকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করে আসছে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে।
সূত্র : প্রেস টিভি