এ পরিস্থিতিতে বিশ্বের বিভিন্ন এয়ারলাইনস ফ্লাইট বাতিল বা সীমিত আকারে পরিচালনা করছে।
এয়ার কানাডা তেল আবিবের ফ্লাইট ২ মে পর্যন্ত এবং দুবাইয়ের ফ্লাইট ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বাতিল করেছে। এয়ার ফ্রান্স তেল আবিব ও বৈরুতের ফ্লাইট ৪ এপ্রিল পর্যন্ত এবং দুবাই ও রিয়াদের ফ্লাইট ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত রেখেছে। কেএলএম তেল আবিব, রিয়াদ, দাম্মাম ও দুবাইয়ের ফ্লাইট ১৭ মে পর্যন্ত বন্ধ রেখেছে।
ডেল্টা এয়ারলাইন্স নিউইয়র্ক-তেল আবিব রুট বাতিল করেছে এবং আটলান্টা-তেল আবিব রুট চালু করা পিছিয়েছে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। বোস্টন-তেল আবিব রুট চালুর পরিকল্পনাও অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রয়েছে।
ইসরায়েলি এয়ারলাইন এল আল জানিয়েছে, ৪ এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারিত প্রায় সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে, যদিও কিছু গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে সীমিত ফ্লাইট চালু রয়েছে।
এমিরেটস আংশিকভাবে আকাশপথ খুলে দেওয়ার পর সীমিত পরিসরে ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
লুফথানসা গ্রুপের আওতাধীন একাধিক এয়ারলাইন দুবাই ও তেল আবিবের ফ্লাইট ৩১ মে পর্যন্ত স্থগিত রেখেছে। এছাড়া আবুধাবি, আম্মান, বৈরুত, দাম্মাম, রিয়াদ, এরবিল, মাস্কাট ও তেহরানের ফ্লাইট ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে।
কাতার এয়ারওয়েজ জানিয়েছে, তারা ধীরে ধীরে ফ্লাইট সংখ্যা বাড়াচ্ছে এবং ৯০টিরও বেশি গন্তব্যে অতিরিক্ত ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা করছে। অন্যদিকে, তুর্কিশ এয়ারলাইন্স মার্চের শেষ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ ফ্লাইট বাতিল করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান এই অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে আরও বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা