বৈঠকে ইরান যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি, তার প্রভাব এবং সম্ভাব্য কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হবে। উল্লেখযোগ্য, ইরানের পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে গত ৬-২৭ ফেব্রুয়ারি সংলাপ চলে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে, যা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়। এরপর ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং ইস্রায়েলের ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু হয়।
যুদ্ধের ফলে ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বহু সেনা ও নাগরিক নিহত হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তেল সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারেও প্রভাব পড়েছে। ইতিমধ্যে পাকিস্তানকে প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে বেছে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
নয়াদিল্লিতে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ফাতাহি জানিয়েছেন, তেহরান ভারতকেও মধ্যস্থতাকারী হিসেবে চায়, কারণ ভারতকে তারা বিশ্বস্ত, কার্যকর ও ইতিবাচক ভূমিকা পালনকারী হিসেবে দেখে।
সূত্র: ফার্স্টপোস্ট