দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করলে হামলার ঝুঁকি রয়েছে। জাহাজগুলোকে কেশম ও লারাক দ্বীপের মধ্য দিয়ে নির্দিষ্ট রুট ব্যবহার করতে হবে। ‘বন্ধুসুলভ’ কার্গো দ্রুত পারাপার করা হবে, অন্যদের ক্ষেত্রে বিলম্ব বা নিষেধাজ্ঞা হতে পারে।
ফিনানসিয়াল টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, তেলবোঝাই ট্যাংকারের জন্য ব্যারেলপ্রতি ১ ডলার পর্যন্ত টোল ধার্য হতে পারে। বড় সুপারট্যাংকারের ক্ষেত্রে বিল কয়েক মিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।
কেন ক্রিপ্টো ও ইউয়ান?
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, ফলে ডলারে লেনদেন কঠিন। ক্রিপ্টো ও ইউয়ান লেনদেন ট্র্যাক করা কঠিন এবং পশ্চিমা ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে। এতে ট্রাফিক আগের তুলনায় অনেক বাড়বে। তবে যুদ্ধবিরতির আলোচনা শুরু হওয়ার আগে মাত্র কয়েকটি জাহাজ চলাচলের অনুমতি পাচ্ছে। বর্তমানে উপসাগরে প্রায় ৩০০–৪০০ ট্যাংকার অপেক্ষমাণ রয়েছে।
আন্তর্জাতিক আইনে সুয়েজ বা পানামা খালের মতো কৃত্রিম খালে টোল বৈধ হলেও, হরমুজের মতো প্রাকৃতিক জলপথে এটি বৈধ নয়। গালফ দেশগুলো বলছে, এটি জাতিসংঘের সমুদ্র আইনের ‘নেভিগেশনের স্বাধীনতা’ নীতির লঙ্ঘন।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধকালীন নিয়ন্ত্রণকে এখন অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপের হাতিয়ারে পরিণত করেছে। সরাসরি যুদ্ধ ছাড়াই হরমুজ প্রণালীর এই পদক্ষেপ বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে সক্ষম।