রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২৬ ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
Channel18

জাতীয়

হেডম পাবো কোথায়?

হেডম পাবো কোথায়?

‘হেডম পাবো কোথায়?’। শরীয়তপুরে দায়িত্বরত চিকিৎসকের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় এভাবেই তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল। আজ রবিবার (১৭ মে) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি দেশের স্বাস্থ্য খাতের নাজুক পরিস্থিতি এবং চিকিৎসকদের চরম নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে এই প্রশ্ন তোলেন।

শরীয়তপুরের ঐ ঘটনায় ২০-২৫ জন মিলে ডা. নাসিরকে দফায় দফায় নির্যাতন করে, যা সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ‘হেডম পাবো কোথায়?’ শিরোনামে ডা. মওদুদ হোসেন তার স্ট্যাটাসে লেখেন-

‘ডাক্তার পেটানো চলছেই। কোনো সনদ বা ঘোষণায় এ বিষয়ে কোনো দাবি তো দূরে থাক, সামান্য ‘নোট অব ডিসেন্ট’ও কারও নজরে এলো না। সেটাই হবার কথা, কারণ ডাক্তার নামের এই ছাপোষা প্রাণিরা জন্মের পর থেকেই পড়ার টেবিলে এমনভাবে সেঁটে থাকে যে, বিকেলের খেলার মাঠ ওদের ডাকে না। পাড়ার বখাটেরা যখন বাড়ির সামনের কাঁচা আমে ঢিল ছুড়ে লবণ-মরিচ মাখিয়ে তাড়িয়ে তাড়িয়ে খায়, ভবিষ্যতের ডাক্তাররা তখন জানালার গ্রিল ধরে মুখে লালা ফেলে নীরব দর্শক হয়ে তা দেখে। ওদের অসময়ে বাইরে যাওয়া নিষেধ; তাই ওরা পহেলা বৈশাখে বটমূলে যায় না, ব্যান্ড সংগীতের আসরেও অনুপস্থিত থাকে, এমনকি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানকে হারানোর উদযাপনেও ওরা গৃহবন্দী। মায়ের বগলদাবা হয়ে মাঝে মাঝে বেড়াতে গেলেও ওদের কোনো রাইডে ওঠা বারণ-পাছে আঘাত পেয়ে কোচিংয়ে অনুপস্থিত হতে হয়। ঈদের দিনে জামাত শেষ করেই সেমাইয়ের বাটি নিয়ে ওরা সেই পড়ার টেবিলে গুটিগুটি পায়ে ফিরে যায়। ওরা নিরুপায়, কারণ যুদ্ধটা তো বাবা-মায়ের; ওরা এখানে সামান্য দাবার ঘুঁটি মাত্র। ফিরিস্তি আরও লম্বা করা যায়, তবে তাতে কিছু বদলাবে বলে মনে হয় না। মোটকথা, এরা বড় হয়ে প্যাদানি খাবে না তো খাবে কারা!

পেটানোর সাম্প্রতিক তালিকায় ক্যানসার হাসপাতালের পরিচালক,জিয়া মেডিক্যালের ইন্টার্নি, শরীয়তপুরের মেডিকেল অফিসার-অতীত গুনলে এ তালিকার শেষ নেই। নিশ্চিতভাবে এই মুহূর্তেও কোনো না কোনো জায়গায় ছোট-বড়-মাঝারি মাপের প্যাদানি চলছেই। কারণ এরা সহজলভ্য, দিন-রাত চব্বিশ ঘণ্টা এদের হাতের নাগালে পাওয়া যায়। এদের পেটালে প্রতিরোধ বা পাল্টা মার খাওয়ার ঝুঁকি নেই। গণ্ডগোল সামান্য হলেও মিটমাট নিশ্চিত, আর বিচারের রায় ঐতিহাসিকভাবে প্যাদানিদাতার পক্ষেই যায়। ফলে সকল মাস্তানির হাতেখড়ি হয় এই হাসপাতালের শ্রেণিকক্ষে।

এসব ঘটনার নিষ্পত্তিও অসাধারণ। বড় কর্তারা হাসপাতাল সফরে এসে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আশ্বাস দেন-ডাক্তার নেতারা পেছনে দাঁড়িয়ে মাথা নাড়িয়ে হাসি হাসি মুখে অবিরত সায় দিতে থাকেন। পুলিশের অক্লান্ত আর অসাধারণ দক্ষতায় সাতাশ নম্বর অভিযুক্তের আত্মীয়কে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয়ার পরম স্বস্তির খবর আসে। এরপর শুরু হয় ফিসফাস ‘এক হাতে কি তালি বাজে?’, ‘কী হবে মামলা করে? কোর্ট-কাচারিতে বছরের পর বছর ঘোরাঘুরি, তারপর জামিন পাওয়া আসামিদের অবাধ বিচরণ’।

শেষ বেলায় মানসিক চাপের মোক্ষম ওষুধ ‘ওরা ডেঞ্জারাস, তোমারও তো ফ্যামিলি আছে, ভেবে দেখো’। উপজেলা বা প্রত্যন্ত সদর হাসপাতালের ছাপোষা ডাক্তারের মুরোদই-বা কতটুকু! তারপর যা হবার তাই হয়। মহা ঘটা করে বসে সালিশি বৈঠক, নেতার কণ্ঠে কঠোর হস্তে সব দমনের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা। পেটানো বাহিনী বীরদর্পে অর্ধেক বোতাম খোলা শার্টের ফাঁকে মোটা চেইন প্রদর্শন করে বিজয়ীর হাসি হাসে, আর পাশে জড়োসড়ো কুণ্ঠিত তথাকথিত ভিকটিম-হাতে-পায়ে প্লাস্টার, মাথায় ব্যান্ডেজ আর বগলে ক্রাচ। ‘ধর্ষিতার সাথে ধর্ষকের বিয়ের’ মতো এমন অনুপম অনুষ্ঠানের উকিল বাবা আবার আমাদেরই ডাক্তার নেতা! সালিশের কলেমা পড়ানোর পর নববধূর সঙ্গে কোলাকুলির নামে পাঁজরের ব্যথাকে নতুন করে জাগিয়ে দেয়া-এমনি চলছে যুগ যুগ ধরে।

কাকে কী বলবেন! নির্বাচিত হবার পরপরই আমাদের জননেতাদের অবধারিত প্রথম পদধূলি পড়ে হাসপাতালে। প্রথমেই ইউএইচএফপিও, সিভিল সার্জন বা ডাইরেক্টরের চেয়ারে বসে হাজিরা খাতা বা ফিঙ্গারপ্রিন্টের হিসাব নিয়ে টানাটানি। অধস্তনের চেয়ারে বসলে ঊর্ধ্বতনদের মর্যাদা কীভাবে আর কতটা বৃদ্ধি পায়, তা যদি কেউ আমাদের বোঝাতো!

তারপর আসে আসল পর্ব-হাসপাতাল পরিদর্শন। ডাক্তাররা ঠিকমতো চিকিৎসা দিচ্ছে? নার্সরা দেখাশোনা করে তো? ওষুধ, খাবার, বাথরুম ঠিক আছে? এইসব লিডিং প্রশ্নের ‘নেতাতুষ্টিমূলক’ জবাব কী হওয়া উচিত, তা আমাদের সচেতন রোগীরা এতদিনে বেশ ভালোই রপ্ত করে ফেলেছে। পাশে কাঁচুমাচু হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন প্রতিষ্ঠান প্রধান। সবশেষে বেরোবার আগে অগণিত মাইক্রোফোন তাক করা সাংবাদিক ভাইদের সামনে অনর্গল বিষোদ্গার। নেতা আর সাংবাদিক দুই পক্ষই জানে পাবলিক কোন ধরনের সংবাদ ‘খায়’। নেতা মহোদয় সবার সামনে জানান দিয়ে বলবেন, হাসপাতালের টেন্ডারে কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না; আবার গাড়িতে উঠেই ফোনে জানিয়ে দেবেন কার্যাদেশ কোন ঠিকাদারকে দিতে হবে।

অবাক করা ব্যাপার হলো, এই পরিদর্শন সফরের অগ্রাধিকার তালিকায় ঐতিহ্যগতভাবে হাসপাতালই প্রথম স্থান অধিকার করে। এই তালিকায় ভূমি অফিস নেই, নেই গণপূর্ত বা স্থানীয় সরকার কার্যালয়; এমনকি সাব-রেজিস্ট্রার অফিসও অনুপস্থিত। আর উপজেলা কিংবা জেলা প্রশাসন কার্যালয় অথবা স্থানীয় থানা বা পুলিশ সুপারের কার্যালয়? মাথা খারাপ নাকি! নেতা-মাস্তানরা আর যাই হোক, এত বড় পাগল না।

এই মাস্তানরা পরিচালক বা সিভিল সার্জনের চেম্বারে ঢুকবে অনুমতি ছাড়াই, ‘ভাই’ বলে সম্বোধন করবে অবলীলায়; আবার একই বীরপুঙ্গব আলেকজান্ডার থানার সাব-ইন্সপেক্টরকে এক বাক্যে কমপক্ষে পাঁচবার ‘স্যার’ সম্বোধন নিশ্চিত করবে। সাব-রেজিস্ট্রারের কক্ষে ঢুকতে পিওনের হাতে দক্ষিনা গুঁজে দেবে পরম সন্তুষ্টির সঙ্গে।

এরা নিরীহ চিকিৎসকের চেম্বারে চাঁদার অঙ্ক নির্ধারণ করবে যেন এটা তার আজন্ম অধিকার; আবার সেই একই ব্যক্তি মামলার তদবিরে থানায় যাবে নোটের বান্ডিল হাতে, গণপূর্ত দপ্তরে গিয়ে খাম ধরিয়ে দেবে পার্সেন্টেজের নির্ভুল অঙ্ক কষে। ‘স্যার’ ওটা পকেটে বা ড্রয়ারে ঢুকিয়েছেন কি না তা নিশ্চিত করতে সন্ধ্যায় স্যারের পিওনের বাসায় যাবে মিষ্টির প্যাকেট হাতে হাত কচলাতে কচলাতে।

মন্ত্রী, সচিব আর নেতাদের বোঝা দরকার-অধস্তন কর্মচারীর সামনে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে অপমানিত করলে সেখানে প্রশাসন আর নিয়ন্ত্রণ বলে কিছু থাকে না। মাস্তানদের কাছে এটা ‘যা ইচ্ছা করার’ একটা অবাধ লাইসেন্স হিসেবে পৌঁছে যায়।

নিয়ন্ত্রণকারীদের বুঝতে হবে হাসপাতালের ক্রয় আর ঠিকাদার নিয়োগ এতটা সোজাসাপ্টা বিষয় নয়। এখানে ‘লোয়েস্ট’ বা সর্বনিম্ন দরের হিসাব একটা স্টুপিড ধারণা। বাজারের সবচাইতে কম দামি যন্ত্রপাতি বা উপকরণ দিয়ে মানুষের মতো অমূল্য প্রাণের চিকিৎসা হয় না। এখানে প্রয়োজন সর্বোচ্চ গুণগত মানের যন্ত্র এবং সেটার প্রকৃত বাজারদরের হিসাব। আরও দরকার এমন নিশ্চয়তা, যেন কার্যাদেশের বর্ণনার সঙ্গে সরবরাহের শতভাগ মিল থাকে। নিশ্চিত করতে হবে যেন গরমিল সরবরাহে কেউ তদ্বির বা চাপ না দেয়। ‘মিঠু-আবজাল’ সিন্ডিকেট ঠেকাতে না পারলে হাসপাতালের স্টোররুম অকেজো যন্ত্রের ভাগাড়ে পরিণত হতেই থাকবে। এসব এমনি এমনি হবে না, সঠিক স্পেসিফিকেশন তৈরির পাশাপাশি লাগবে ‘হেডম’। সমস্যা হলো, হেডম কোথায় পাই?

শুধুমাত্র সর্বনিম্ন দরের হিসাব ধরে বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য না রেখে হাসপাতালে খাবার বা পথ্য সরবরাহের কার্যাদেশ দিলে রোগীদের রুই-কাতলার বদলে সিলভার কার্প খেতে হবে, দুর্গন্ধযুক্ত ভাত গিলতে হবে নাকে রুমাল চেপে। খাসির মাংসের নামে যা খেতে হবে, সেটার পরিচয় নির্ণয় করতে ডিএনএ ল্যাবের সাহায্য নিতে হবে। এতসব অনিয়মকে নিয়মে আনতে আর বিষয়গুলো পরিষ্কার বুঝতে গালভরা বুলি দিয়ে কাজ হবে না। লাগবে ‘হেডম’। সমস্যা হলো, হেডম কোথায় পাই?

আমাদের ডাক্তারদের নিয়ে একটা বিরাট সমস্যা আছে-তাদের কাছে মহা আতঙ্কের নাম ‘ট্রান্সফার আর পোস্টিং’। শুনতে খারাপ লাগলেও সত্যি এটাই, আমরা সন্তান বিয়োগের বেদনা সহ্য করতে পারব, কিন্তু ট্রান্সফার আদেশ আমাদের হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ করার উপক্রম করে। পছন্দের বদলি নিতে বা ঠেকাতে আমরা হেন কিছু নেই যা করতে পারি না। সকালে জয়ধ্বনি তো বিকালে জিন্দাবাদ! অতি নেতা, পাতি নেতা, মামা-খালু, লতায়-পাতায় আত্মীয় খোঁজা-কোলের সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সপরিবারে সচিবালয় থেকে মাতুলালয়, দরগা-মন্দির-ঝাড়ফুঁক, টাকার চুক্তিতে দালাল ধরা-কোনো তদবিরই বাদ যায় না। এই ‘হেডমে’ অধিকার আদায় হয় না, সম্মানও অধরা থেকে যায়। এমনিতেই চিকিৎসকদের সমস্যার শেষ নেই-পদোন্নতি, পদায়ন, প্রশিক্ষণ, কর্মপরিবেশ, নিরাপত্তা-অগণিত সমস্যায় জর্জরিত আমাদের স্বাস্থ্য সেক্টর। নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে ‘হেডম’ লাগবেই, এর বিকল্প নেই।

আমাদের প্রধানমন্ত্রী অনেক বড় প্রত্যাশার কথা শুনিয়েছেন। সবার জন্য স্বাস্থ্য, স্বাস্থ্য খাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ (বর্তমানে যা ১ শতাংশের কম), ব্যয়বহুল কিউরেটিভ চিকিৎসার পরিবর্তে প্রতিরোধমূলক চিকিৎসাকে গুরুত্ব দেয়া এবং চিকিৎসা শিক্ষা ও গবেষণার উৎকর্ষের কথাও তার নির্বাচনি অঙ্গীকারে উচ্চারিত হয়েছে। তার সদিচ্ছা নিয়ে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। প্রশ্ন হলো, তার এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্টদের নিয়ে। স্বাস্থ্যখাত হচ্ছে সরকারের দক্ষতার আয়না, কারণ এটি জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে জড়িত। হাম আমাদের বড় ধাক্কা দিচ্ছে, ডেঙ্গুও আসছে; এর সঙ্গে হাসপাতালের অগণিত সমস্যা, রোগীদের তীব্র বিদেশমুখী প্রবণতা, চিকিৎসক ও সেবাগ্রহীতাদের মনস্তাত্ত্বিক দূরত্ব, অদক্ষ প্রশাসন, মেডিকেল শিক্ষার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, নার্স ও প্যারামেডিকদের দক্ষতাবৃদ্ধি, স্নাতক পর্যায়ের চিকিৎসার বহুমুখী দ্বন্দ্বের নিরসন, চিকিৎসকদের আন্তর্জাতিক সক্ষমতা অর্জন, সঠিক রেফারেল ব্যবস্থা সৃষ্টি, হয়রানি কমানো, বেসরকারি চিকিৎসাকে সাধারণের নাগালে আনা, নবীন চিকিৎসকদের কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ-এমনি অগণিত বিষয় নিয়েই স্বাস্থ্যখাত।

চারটে বরখাস্ত, তিনটা প্রমোশন বা দুটো ফাঁসির ঘোষণা লোক হাসাতে পারে, সমস্যার সমাধান করতে পারে না। গভীর রাতে আইসিইউ কাণ্ডে স্বজনদের সহানুভূতি জানাতে ঊর্ধ্বতনদের আকস্মিক আগমনে সাময়িক ফায়দা হতে পারে, কিন্তু তা স্থায়ী নয়। যা রাজধানীতে সম্ভব, তা টেকনাফ বা তেঁতুলিয়াতে অসম্ভব। সুতরাং যা সার্বজনীন নয়, তাতে স্থায়ী সমাধান নেই। সমাধান খুঁজতে হবে সমস্যার গভীরতায় গিয়ে। আর সেজন্য প্রয়োজন একটি ‘হেডম’ সম্পন্ন পরিচালনা ব্যবস্থা আর একটা পরীক্ষিত ‘হেডম’ আছে এমন নেতৃত্ব-যা বদলে দিতে পারে স্বাস্থ্য সেক্টর, বদলে দিতে পারে দেশ।

আরও

৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য

জাতীয়

৮০ বছরে ভারতের রূপান্তর: বাংলাদেশের জন্য এর তাৎপর্য

১৫ আগস্ট ভারত তার ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে। ভৌগোলিক অবস্থান, ইতিহাস, সংস্কৃতি, নদী, বাণিজ্য এবং ১৯৭১ সালের মুক্তি...

২০২৬-০৮-১৫ ২০:১৭

ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: আইনমন্ত্রী

জাতীয়

ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: আইনমন্ত্রী

ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা মানবাধিকার নিশ্চিত করারই অংশ বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো....

২০২৬-০৮-১৫ ১৮:০৪

শিক্ষকদের অবসর সুবিধার টাকা পেতে আর অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয়

শিক্ষকদের অবসর সুবিধার টাকা পেতে আর অফিসে ঘুরতে হবে না: প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচিত বর্তমান সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে থাকাকালে বেসরকারি শিক্ষকদের অবসরকালীন সুবিধার টাকা পেতে আর অফিসে অফিস...

২০২৬-০৮-১৫ ১৬:১০

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক স্বপ্ন পূরণের পথে বাধা কারা?

জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক স্বপ্ন পূরণের পথে বাধা কারা?

একটি দেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন শুধু সরকারের নীতিনির্ধারণের ওপর নির্ভর করে না; সেই নীতি কতটা দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ি...

২০২৬-০৮-১৫ ১৫:০৮

ধানমন্ডি ৩২ থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সন্দেহে আটক ১

জাতীয়

ধানমন্ডি ৩২ থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সন্দেহে আটক ১

রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সন্দেহে অর্ণব দাস (৩৭) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

২০২৬-০৮-১৫ ১২:৩৩