শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাজধানীর রামপুরা, কারওয়ান বাজার ও মালিবাগ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে অনেক পণ্যের দাম ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
বর্তমানে দেশি মুরগি কেজিপ্রতি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা ঈদের আগে ছিল ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা। একইভাবে সোনালি মুরগির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২০ টাকা, যা আগে ছিল ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা। তবে ব্রয়লার মুরগির দাম তুলনামূলক কম বেড়ে ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মাংসের বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। গরুর মাংস, যা এক সপ্তাহ আগে ৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, এখন তা বেড়ে ৮২০ থেকে ৮৫০ টাকায় উঠেছে। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজিতে।
ব্যবসায়ীরা জানান, দাম বাড়ার কারণে বিক্রি কমে গেছে। কারওয়ান বাজারের বিক্রেতা এনামুল বলেন, “দাম বাড়ায় বিক্রি প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। সরবরাহও কম। মূলত পরিবহন খরচ বেড়েছে।”
আরেক বিক্রেতা রিয়াদ জানান, পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় বিশেষ করে সোনালি ও দেশি মুরগির দাম বেশি বেড়েছে।
এদিকে খোলা ভোজ্যতেলের বাজারেও দাম বেড়েছে। খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল ১৯৫ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা। একইভাবে খোলা পাম তেলের দাম লিটারে ১০ টাকা বেড়ে ১৮৪-১৮৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
তবে বোতলজাত তেলের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) লিটারে ১৯৫ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে। যদিও বাজারে দীর্ঘদিন ধরেই বোতলজাত তেলের সরবরাহ সংকট রয়েছে।
সবজির বাজারেও কিছু পণ্যের দাম কেজিপ্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে আলু ও পেঁয়াজের দাম তুলনামূলক কম রয়েছে। বর্তমানে আলু ২০ থেকে ২৫ টাকা এবং পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।