মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে বরিশালের বাকেরগঞ্জের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত গোমা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যম রিপোর্ট অনুযায়ী, ভাড়া বাড়ছে না এবং সড়কে যানজট বা অব্যবস্থাপনা নেই। তবে মাত্র ২-৩ দিনের মধ্যে দেড় কোটি মানুষ ঢাকা ছাড়ছে, যা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় নেওয়া প্রস্তুতির মাধ্যমে যাত্রীরা স্বস্তিতে ও নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাবে।
গোমা সেতুর দৈর্ঘ্য প্রায় ২৮৩ মিটার এবং প্রস্থ ১০ দশমিক ২৫ মিটার। উদ্বোধনের পর সেতুটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এটি চালু হওয়ায় বরিশালের বাকেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর দুমকির মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে। দুই জেলার প্রত্যন্ত এলাকার অন্তত পাঁচ লাখ মানুষের যাতায়াতের ভোগান্তি কমেছে। যাতায়াতের সময়ও প্রায় দুই ঘণ্টা কমে এসেছে।
সেতুর কাজ শেষ হতে প্রায় ৯ বছর লেগেছে। ২০১৭ সালে ৫৭ কোটি ৬২ লাখ টাকায় তিন বছর মেয়াদি প্রকল্প হিসেবে অনুমোদন পায়। ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। তবে নদীপথ সচল রাখতে সেতুর উচ্চতা বাড়ানোর কারণে প্রকল্পের নকশা পরিবর্তন, জমি অধিগ্রহণ ও নদী শাসনের কাজ যুক্ত হওয়ায় সময়সীমা পাঁচবার বাড়ানো হয়। সংশোধিত প্রকল্পে সেতুর ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৯২ কোটি ৪৪ লাখ ৮৯ হাজার টাকা।
মঙ্গলবার অনুষ্ঠানে সড়ক ও রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি, বরিশাল-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খানসহ বিভিন্ন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রীর মতে, বর্তমান সরকার জনগণের নির্বাচিত সরকার, যা দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করছে। সেতু ও মহাসড়ক উন্নয়ন ছাড়া অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি সম্ভব নয়।