রাজধানীতে দেশের প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। হাইকোর্ট সংলগ্ন এই মাঠে সরকারের তত্ত্বাবধানে জাতীয় পর্যায়ের জামাত আয়োজন করা হয়। এখানে রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, কূটনীতিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ নামাজ আদায় করেন। আবহাওয়া অনুকূলে না থাকলে বিকল্প হিসেবে জামাত অনুষ্ঠিত হয় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে। যেখানে একাধিক জামায়াতের ব্যবস্থা থাকে।
দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে। প্রায় দুই শতাব্দীর পুরোনো এই ঈদগাহে প্রতি বছর কয়েক লাখ মুসল্লির সমাগম ঘটে। একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক মানুষের নামাজ আদায়ের কারণে এটি দেশের সবচেয়ে বড় জামাত হিসেবে পরিচিত।
উত্তরাঞ্চলে বৃহৎ জামাতের জন্য পরিচিত দিনাজপুরের গোর-এ-শহিদ বড় ময়দান। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বড় ঈদগাহ হিসেবে পরিচিত এই মাঠেও কয়েক লাখ মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করেন।
চট্টগ্রামে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় জামেয়াতুল ফালাহ ঈদগাহ ময়দানে। শহরের অন্যতম কেন্দ্রীয় এই স্থানে বিপুল সংখ্যক মুসল্লির অংশগ্রহণে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়া রাজধানীর ঐতিহাসিক ধানমন্ডি শাহী ঈদগাহতেও দীর্ঘদিন ধরে ঈদের জামাত হয়ে আসছে, যা মুঘল আমলের ঐতিহ্য বহন করছে।
সারা দেশের বিভাগীয় শহর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও স্থানীয় ঈদগাহ ও খোলা মাঠে হাজার হাজার মুসল্লির অংশগ্রহণে বড় বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ এসব জামাত আয়োজনের জন্য আগাম প্রস্তুতি নেয়, যাতে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে।