নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’–এ এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘আজ সকালের বৈরুত হামলা হওয়া উচিত হয়নি। বিশেষ করে আজকের মতো একটি দিনে এটি একেবারেই বেমানান, যখন আমরা ইরানের সঙ্গে একটি শান্তি চুক্তির খুব কাছে রয়েছি।’
ইসরাইলের ‘নিজেকে রক্ষা করার অধিকার’ আছে স্বীকার করেও ট্রাম্প বলেন, হিজবুল্লাহর যে হামলার জবাবে ইসরাইল এই পদক্ষেপ নিয়েছে, তা ছিল ‘খুবই সামান্য ও অর্থহীন’। ওই ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি, তাই এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি শান্তি প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা ঠিক হয়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন।
ট্রাম্পের এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট সংকেত পাওয়া যাচ্ছে যে, ইরানের সঙ্গে প্রস্তাবিত সমঝোতা স্মারকটি (এমওইউ) কেবল বৈরুত নয়, বরং পুরো লেবাননের জন্য প্রযোজ্য হবে। এর আগে ইসরাইলি কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে তারা কেবল বৈরুতে হামলা বন্ধ করবে কিন্তু দক্ষিণ লেবাননের ভেতরে অভিযান চালিয়ে যাবে।
ট্রাম্প সেই অবস্থানের বিরোধিতা করে বলেন, ‘ইসরাইলের পক্ষ থেকে লেবাননের কোথাও আর হামলা হওয়া উচিত নয়। একইভাবে হিজবুল্লাহসহ অন্য কোনো পক্ষেরও ইসরাইলের ওপর হামলা চালানো উচিত হবে না।’
এই সমঝোতাকে একটি ‘দীর্ঘ ও সুন্দর শান্তির শুরু’ হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প সব পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানান। উত্তেজনার পারদ কমিয়ে আনার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আসুন, আমরা এই সুযোগটি নষ্ট না করি!’
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শান্তি চুক্তির চূড়ান্ত পর্যায়ে ইসরাইলের সামরিক তৎপরতা নিয়ে ট্রাম্পের এই প্রকাশ্য ক্ষোভ নেতানিয়াহু প্রশাসনের ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করবে।